বাংলার বোলারদের তুলোধুনো করল উইন্ডিজ, হারল ৩৫ রানে

ক্রীড়া ডেস্ক
সোমবার, ৪ জুলাই, ২০২২, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশি বোলাররা চেষ্টা করেছেন স্বাগতিকদের আটকিয়ে রাখতে। শুরুতে কিছুটা পারলেও তেমন কাজে লাগেনি। ব্র্যান্ডন কিং ও রোভম্যান পাওয়েলের দুই অর্ধশতকে ভর করে ৫ উইকেটে ১৯৩ রান তুলেছে উইন্ডিজ।

ডমিনিকায় প্রথম ম্যাচ পরিত্যক্ত হলেও আজ দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু হয়েছে ঠিক সময়ে। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারে তাসকিন আহমেদ দেন ১৪ রান।

ওভারের প্রথম বল ডট দিলেও দ্বিতীয় বলে সিঙ্গেল নেন ব্র্যান্ডন কিং। তবে শেষ চার বলে ১টি করে চার-ছয়ে কাইল মায়ার্স ৪ বলে নেন ১৩ রান। ঝোড়ো শুরুটা অবশ্য বেশিক্ষণ টিকেনি।

দ্বিতীয় ওভারে বোলিং করতে এসে শেখ মেহেদী হাসান প্রথম বলে চার হজম করলেও পরের তিন বল দেননি কোনো রান। পঞ্চম বলে বোল্ড করে ফেরান ৯ বলে করেন ১৭ রান করা মায়ার্সকে।

চতুর্থ ওভারে নিজের প্রথম ওভার করতে এসে দ্বিতীয় বলে সাকিব আল হাসান তুলে নেন শামারাহ ব্রুকসকে (০)। প্রথম ম্যাচের একাদশে না থাকা মোসাদ্দেক হোসেন দ্বিতীয় ম্যাচে সুযোগ পেয়ে এক নিজের প্রথম ওভারে বিদায় করেন ৩৪ (৩০) রান করা নিকোলাস পুরানকে।

সময়ের সঙ্গে দুজনেই ছড়াও হতে থাকেন টাইগারদের ওপর। ১০০ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ব্র্যান্ডন কিং ও রোভম্যান পাওয়েল ২৮ বলে তোলেন ৬৩ রান। সাকিব আল হাসানের চতুর্থ ওভারে এক চার আর তিন ছক্কা হাঁকান পাওয়েল। ওই ওভারে আসে ২৩ রান। পরের ওভারে তাসকিন আহমেদ দেন দুই ছক্কায় ২১ রান।

শেষ পর্যন্ত পাওয়েলকে বিদায় করেন শরিফুল ইসলাম। শরিফুলের স্লোয়ার কাটারে লং অফে ক্যাচ দিয়ে কিং বিদায় নেন ৪৩ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫৭ রান করে। শেষ ওভারে শরিফুল ফেরান রোমারিও শেফার্ডকে (৩)।

কিং বিদায় নিলেও পাওয়েল তুলে নেন অর্ধশতক। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে পাওয়েল খেলেন ৬১ (২৮) রানের ইনিংস। ওডেন স্মিথ শরিফুলের শেষ ওভারে নেন ১১ রান, শেষ বলে ছক্কা হাঁকান পাওয়েল। তাতে উইন্ডিজ পেয়ে যায় বড় সংগ্রহ।

বাংলাদেশের পক্ষে ২ উইকেট নেন শরিফুল। ১ টি করে উইকেট নিয়েছেন শেখ মেহেদী, সাকিব ও মোসাদ্দেক। বেশ খরুচে ছিলেন তাসকিন, ৩ ওভারে দিয়েছেন ৪৬ রান। সাকিব দিয়েছেন ৩৮ রান, মোস্তাফিজ দেন ৩৫ রান।

অন্যদিকে টাইগারদের হতশ্রী ব্যাটিংয় কেবল হতাশাই বাড়িয়েছে। ৮ রানে দুই ওপেনার বিশ্রামে। যেনো সব দায়িত্ব এক সাকিবের। বিজয়, লিটন, রিয়াদ, সোহানদের আসা-যাওয়ার মিছিলে সাকিবকে খানিক সঙ্গ দিয়েছেন ৩৫ রান করা তরুণ আফিফ।

সাকিব খেলেন ৫৮ বলে ম্যাচে সর্বোচ্চ ৬৪ রানের অপরাজিত ইনিংস। টি-টোয়েন্টিতে যোগ দিয়েছেন ২ হাজার রানের ক্লাবে। কিন্তু তা শুধু পরাজয়ের ব্যবধান কমানোর পাশাপাশি ব্যক্তিগত অর্জনই থেকে গেছে। তাতে বাংলাদেশের স্কোর বোর্ডে ৬ উইকেটে ১৫৮ রানের বেশি জড়ো না হলেও পরাজয় ৩৫ রানের।

Facebook Comments
সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

আরো সংবাদ