বঙ্গোপসাগরে ৩ ট্রলার ডুবি : নিখোঁজ ২, ২৮ জেলে উদ্ধার

অন্যদৃষ্টি অনলাইন
বুধবার, ১ আগস্ট, ২০১৮, ৭:২৬ অপরাহ্ন
প্রতীকী ছবি।

অন্যদৃষ্টি অনলাইন।।

বৈরী আবহাওয়ায় গভীর সমুদ্র উত্তাল থাকায় মঙ্গলবার রাতে দু’টি এবং বুধবার দুপুরে একটি মাছধরা ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ট্রলারে থাকা জেলেদের অপর দু’টি মাছধরা ট্রলারে উদ্ধার করে বুধবার বিকেলে মৎস্যবন্দর মহিপুরে নিয়ে আসা হয়েছে।

উদ্ধার জেলেরা জানিয়েছে, বৈরী আবহাওয়ায় সমুদ্র উত্তাল হওয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ের উদ্দেশ্যে মৎস্যবন্দর আলীপুর-মহিপুর ফিরে আসার পথে কুয়াকাটা থেকে প্রায় ৪০-৪৫ কিঃমিঃ গভীরে সোনার চর এলাকায় বঙ্গোপসাগরে ডুবে যায়। এদের মধ্যে এফ,বি মায়ের দোয়া মঙ্গলবার রাত ১১ টায়, এফ,বি নায়েতহবিল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১ টায় এবং এফ,বি পলাশ বুধবার দুপুরে নিমজ্জিত হয়। বুধবার সকাল ১০টার দিকে ডুবে যাওয়া এফ,বি মায়ের দোয়া ও এফ,বি নায়েতহবিল নামের দুই ট্রলারের ২০ জেলেকে এফ,বি আল-আমিন নামের একটি মাছধরা ট্রলার মৎস্যবন্দর আলীপুর নিয়ে আসে। বুধবার দুপুরে ডুবে যাওয়া এফ,বি পলাশ দুপুর ২টার দিকে এফ,বি সিকদার ট্রলারের মাঝি ফোরকান মিয়া উদ্ধার করে শেষ বিকালে মহিপুর ঘাটে নিয়ে আসেন। এফ,বি সিকদার ট্রলারের রহমান সিকদার (৩২) ও নশুমিয়া (২৬) নামের দুই জেলে নিখোঁজ রয়েছেন বলে এফ,বি পলাশ ট্রলারের মাঝি আলী হোসেন জানান।

এফ,বি মায়ের দোয়া ট্রলারটি রাঙ্গাবালী উপজেলার বড় বাইসদা ইউনিয়নের মোঃ জাফর মিয়ার তিনি নিজেই ঔ ট্রলারের মাঝি ছিলেন। একই এলাকার এফ,বি নায়েতহবিল ট্রলারের মালিক মোঃ বাহাউদ্দিন। এফ,বি পলাশ ট্রলারটি গলাচিপা উপজেলার গোলখালী এলাকার মো. পলাশ হাওলাদারের বলে জেলে সূত্রে জানাযায়।

উদ্ধাকারী এফ,বি আল-আমিন ট্রলারের মাঝি মোঃ মাসুদ মিয়া জানান, নিরাপদ আশ্রয়ের লক্ষ্যে তিনি ট্রলার নিয়ে মৎস্যবন্দর মহিপুর ফিরে আসছিলেন। সকাল ১০টার দিকে সোনার চরের বাহিরে ডুবে যাওয়া ট্রলার দেখতে পেয়ে সেখানে যান তিনি। ডুবে যাওয়া ট্রলারের সাথে জেলেদের ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।
এফ,বি সিকদার ট্রলারের মাঝি ফোরকান মিয়া বলেন, আমি নিরাপদে আসার সময় জেলেদের সমুদ্রে ভাসতে দেখে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি।

 

Facebook Comments
সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

আরো সংবাদ