নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া নির্বাচনে গেলে ফাঁদে পড়তে হবে : রিজভী

অন্যদৃষ্টি অনলাইন
সোমবার, ৯ মে, ২০২২, ৯:২২ অপরাহ্ন

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গেলে প্রতারণার ফাঁদে পড়তে হবে। আওয়ামী লীগের নেতারা যা বলছে-তা মিথ্যা, প্রতারণার কথা বলছে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনে জনগণ যাকে ভোট দেবে তারাই ক্ষমতায় আসবে।

সোমবার (৯ মে) সকালে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

আগামী নির্বাচনে ইভিএমে ভোট নেওয়ার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, বহুদেশ এই পদ্ধতি চালু করেছিল। কিন্তু ক্রটির কারণে পরে তা বাতিল করে দিয়েছে। আর আমাদের বর্তমান সরকার যে ইভিএমে ভোট করার কথা বলছে, নির্বাচন নিয়ে কথা বলছে, এটা করার তাদের কোনও অধিকারই নেই। কারণ তারা স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় নেই। তারা জোর করে ক্ষমতায় আছে।

আরও পড়ুন : স্ত্রী ও দুই মেয়েকে গলা কেটে হত্যা: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযোগপত্র দাখিল

তিনি আরও বলেন, আমরা যে স্বচ্ছ-নিরপেক্ষ নির্বাচনের কথা বলছি, সেটা ব্যালট পেপারের মাধ্যমে দিতে হবে।

রিজভী বলেন, ওবায়দুল কাদেরের কথা শুনে মনে হয়েছে তিনি শুধু আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নন, বিএনপিরও বোধ হয় উপদেষ্টা। তিনি সর্বদা বিএনপিকে নিয়ে যে চিন্তায় থাকেন তাতে মনে হয় তিনি আরও বেশী অসুস্থ হয়ে পড়বেন। তিনি ফেয়ার নির্বাচন বলতে ‘ফেয়ার এন্ড লাভলী’র কথা বুঝিয়েছেন কি না তা বোধগম্য নয়। ফেয়ার নির্বাচনের একটি আওয়ামী ভার্সন রয়েছে যা ১৪ বছরে দেশের মানুষ দিব্যচোখে অবলোকন করেছে। তার ফেয়ার নির্বাচনের সংজ্ঞা অনুযায়ী সুষ্ঠু ভোট হলো-সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে জনগণকে কাবু করতে সকল শক্তি নিয়োগের মাধ্যমে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির বিনা ভোটের নির্বাচন এবং ২০১৮ সালের নিশিরাতের নির্বাচন।

তিনি আরও বলেন, এক ভয়ংকর জনপদে পরিণত হয়েছে ফেনী। এখানে মানুষের নূন্যতম কোনও নিরাপত্তা নেই। যারা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে চায়, তাদের শান্তির কোনও লেশও নেই। আমরা আবারও এই সরকারকে ধিক্কার জানাচ্ছি। গোটা দেশকে এক বিভীষিকার মধ্যে ফেলে দেওয়ার জন্য।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, আপনারা জানেন কয়েকদিন আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপি লাগাতার কর্মসূচি পালন করেছে। নিশ্চয় মনে আছে, সেই সব কর্মসূচিতে পুলিশ বাধাও দিয়েছে। পুলিশ নানাভাবে অত্যাচার করেছে। জনস্বার্থে আমরা কখনও নিশ্চুপ, নীরব থাকিনি। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত, হাটে-বাজারে পর্যন্ত কর্মসূচি ছিল। অসংখ্য নির্যাতনের পরেও জনস্বার্থে আমরা আন্দোলন করেছি।

Facebook Comments
সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

আরো সংবাদ