অবশেষে বিদ্যুৎ পেলো কুড়িগ্রামের অবহেলিত নাগেশ্বরীর কুটিপায়রা ডাঙ্গাবাসী

অন্যদৃষ্টি অনলাইন
শুক্রবার, ২১ জুন, ২০১৯, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
নাগেশ্বরীর কুটিপায়রা ডাঙ্গাবাসীর একাংশ

শেখ ফরিদ, কুড়িগ্রাম।।

শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনা’র ঘোষণা মোতাবেক সারাদেশের মত নাগেশ্বরীর কুটিপায়রার ডাঙ্গায়ও পৌছে গেছে বিদ্যুৎ।

দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল নাগেশ্বরীর কুটিপায়রা ডাঙ্গা গ্রাম বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে। ধাপে ধাপে এ গ্রামের উন্নয়ন হচ্ছে। বিগত ১০ বছর যাবত গ্রামে বিদ্যুতের জন্য গ্রামবাসী বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করে কিন্তু গ্রামে বিদ্যুৎ আর আসে না। অত্র গ্রামের মোঃ তছলমি উদ্দিন এবং তার ভাতিজা অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ জাহাঙ্গীর বিষয়টি অনুধাবন করতে পারেন যে এ আধুনিক যুগেও এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ আসে নাই যার কারণে গ্রামের মানুষ বিভিন্ন রকমের দুর্ভোগ হত।

মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসন ও পল্লী বিদ্যুতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে গ্রামে বিদ্যুৎ আনায়নের বিষয়ে আলোচনা করেন।

জেলা প্রশাসন ও পল্লী বিদ্যুতের সহযোগিতায় এবং অত্র গ্রামবাসীর পক্ষে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের আন্তরিক প্রচেষ্টায় নাগেশ্বরীর কুটিপায়রাডাঙ্গা গ্রাম অন্ধকার থেকে আজ আলোতে রূপান্তরিত হলো। জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আজকে এ গ্রামে বিদ্যুৎ আসার কারণে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মানুষের জীবনযাত্রার মান আরও একধাপ এগিয়ে গেলো।

বিদ্যুতের আলোতে গ্রামের ছাত্র-ছাত্রী যারা আছেন তাদের লেখাপড়ায় অনুপ্রেরণা যোগাবে এবং মানুষের নানাবিধ সুযোগ সুবিধার সৃষ্টি হবে। যা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সহায়ক ভুমিকা পালন করবে। সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী ও গ্রামবাসীরা বলেন, সরকার আমাদের বিদ্যুৎ দিয়েছে, আমরা আলোকিত হয়েছি, ভবিষ্যতেও আমরা সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে গ্রামবাসী সকলেই সহযোগিতা করবো। অত্র গ্রামের মোঃ রানু বলেন, এ গ্রামের দীর্ঘদিন থেকে বিদ্যুৎ আসি আসি করে আসে না, আমদের গ্রামের কৃতি সন্তান ডিমএপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের প্রচেষ্টায় আজ বিদ্যুতের আলো দেখতে পেলাম। আমরা গ্রামবাসী সকলেই আমার এ ভায়ের জন্য দোয়া করি ও সরকারের জন্যও দোয়া করি।

উল্লেখ্য যে, ডিমএপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশপাশি একজন সমাজ কর্মীও বটে, তিনি ত্রিমাত্রিক-৩০ বিসিএস অফিসার্স কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

এ সংগঠনটি একটি সমাজসেবী সংগঠন হিসেবে পরিচিত। এ সংগঠনটি প্রতিবছর ফ্রি হেলথক্যাম্প, শীতবস্ত্র বিতরণ, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণসহ নানামুখী জনকল্যানমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকে এবং সংগঠনের প্রত্যেক সদস্য নিজ নিজ গ্রামের উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

Facebook Comments
সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

আরো সংবাদ