যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার হাজিরবাগ ইউনিয়নের দেউলী গ্রামে মিথ্যা মামলা দিয়ে নিজের ক্রয়কৃত জমি দখলে নেওয়ার পাশাপাশি হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।
আর সেই জমি ফেরত পেতে এলাকাবাসিকে সাথে নিয়ে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগি শাহিন কবির রিপন নামে এক ব্যবসায়ী।শনিবার সকালে দেউলি গ্রামে ক্রয়কৃত জমির সামনে দাড়িয়ে এ মানববন্ধন করেন তারা।
সরেজমিনে যেয়ে জানাযায়, পর্যায়ক্রমে ১৫ -১৬ বছর আগে দেউলি গ্রামের নুর হোসেনের ছেলে শাহিন কবির রিপন একই গ্রামের পান্জাব আলী খার নিকট থেকে দেওলি ৪১৭ নং মৌজায় ৯২ শতক জমির মধ্যে ৮২ শতক জমি নগত অর্থে ক্রয় করেন।
আর বাকি ১০ শতক জমি একই গ্রামের মোক্তার আলী ক্রয় করেন। প্রকাশ থাকে যে ওই সময় শাহিন কবির ও ১৬ শতক জমি ক্রয় করেছিলেন যাহা আইনি ভাবে আমার ১৬ শতক ও মোক্তার আলীর ১০ শতক জমির দলিল অকার্যকর হয়ে যায়।ওই সময় মোক্তার আলীর নিকট বিক্রি করা ১০ শতক জমি আগেই তার (পান্জাব আলীর) ছেলে হাসান আলীর নামে লিখে দেন।যার ফলে মোক্তার আলীর কাছে বিক্রি করা ১০ শতক জমির দলিল আইনে সঠিক হবে না বলে ছেলে হাসান আলীর নামের সেই ১০ শতক জমি ফের মোক্তারের নামে দলিল করে দেন। এমনতাবস্হায় দীর্ঘ ১৫-১৬ বছর যাবৎ শাহিন কবির রিপন ৮২ শতক ও মোক্তার হোসেন ১০ শতক জমি ভোগ দখল করে আসছে। ১৫-১৬ বছর পর হঠাৎ মোক্তার হোসেন শাহিন কবির রিপনের দখলে থাকা ৮২ শতক জমিতে আরো ১০ শতক জমি আছে দাবি করে বসেছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে করছেন হয়রানি।
এদিকে নগদ অর্থে ক্রয়কৃত ১৫-১৬ বছর ধরে দখলে থাকা জমি ফেরৎ পেতে এলাকাবাসিকে সাথে নিয়ে মানববন্ধন করেছেন শাহিন কবির রিপন।তিনি বলেন, আমরা কাগজপত্র অনুযায়ী জমি কিনেছি ও দলিল,রেকর্ড,পর্সা সবই সঠিক আছে এবং দাতা ও বলে তার ১০ শতক জমি। এবং সেই অনুযায়ী ১৫ -১৬ বছর যাবৎ ভোগ দখল করে আসছি।
তাছাড়া ওই জমিতে ছিলো গর্ত, যা আমার নিজ অর্থে মাটি ভরাট করেছি, তারের বেড়াকরে গাছ লাগিয়েছি,বাড়ী করেছি, তখন ও মোক্তার আলী দাবি না করে হঠাৎ করে ধুমকেতুর মত স্থানীয় কিছু দুঃস্কৃতিকারি কুচক্রী মহলের উস্কানিতে মিথ্যা জমির দাবি করে আমার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।এখন মোক্তার হোসেন ১০ শতক জমি মিথ্যা মামলা দিয়ে আদায় করতে চাই। বিষয়টি সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক যাবতীয় কাগজপত্রাদি যাচাই করে, প্রশাসনের নিকট সঠিক বিচার দাবী করেন তিনি।
You must be logged in to post a comment.