হাবিবুর রহমান।।
জামাতের ফজিলত ও গুরুত্ব সম্পর্কে এত অধিক হাদিস বর্নিত যে,যদি সব গুলিকে একত্রিত করা হয় তাহলে বৃহদাকারের একটি পুস্তিকা হয়ে যাবে।
রাসূল সাঃ কখনো তা পরিত্যাগ করেন নি। এমনকি যখন তাঁর চলার শক্তি ছিলনা তখনো তিনি দুজন লোকের কাঁধে ভর করে মসজিদে গিয়ে জামাত আদায় করেছেন।
জামাত ত্যাগ কারীকে তিনি কঠোর শাস্তি দিতে চাইতেন।
রাসূল সাঃ বলেন,আমার মন চায় কাউকে লাকড়ি জমা করার আদেশ দেই।অতঃপর একজনকে আযান ও আরেক জনকে ইমামতির দায়িত্ব দিয়ে আমি ঐ সকল লোকদের বাড়ী যাই যারা জামাতে আসেনা আর তাদের ঘর বাড়ী জ্বালিয়ে দেই।
অপর হাদিসে তিনি বলেন,,যারা অন্ধকারে মসজিদে যাতায়াত করে তাদেরকে কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ নূরের সুসংবাদ দাও।
একাকী নামাজ পড়ার চেয়ে জামাতে নামাজ পড়ার সওয়াব সাতাশ গুন বেশী।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিঃ বলেন,আমি নিজেকে এবং সাহাবায়ে কেরামকে পরীক্ষা করে দেখেছি যে,তাদের মধ্যে স্পষ্ট মুনাফিক অসুস্থ ব্যাক্তি ছাড়া কেউ জামাত ত্যাগ করতেন না। এমনকি অসুস্থ ব্যাক্তি দুজন লোকের কাঁধে ভর করে হলেও জামাতে আসতেন।
সূত্র : ফেসবুক ওয়াল-
You must be logged in to post a comment.