প্রদীপ কুমার দেবনাথ।।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি ইতিমধ্যেই বিশ্ব মানবিকতার আদর্শ, বিশ্ব শান্তির প্রতীক হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন। আপনি জানেন, করোনা একটি ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের নাম। তাই এখনি সকলেই এগিয়ে এসে বিপর্যয় রোধ করতে হবে। নিম্নোক্ত বিষয়গুলো লক্ষ্য করুন এবং এ বিপর্যয় রোধে পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য বিনীত আবেদন রইল। “আসুন মানবিক হই, সাধারণ মানুষকে বাঁচাই”
© যেখানে সবকিছু একটির পর একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, মানুষের আহাজারিতে পৃথিবীর আকাশ বাতাস ভারী হয়ে আসছে সেই সময়ও আমাদের দেশে থাকা হাজার এনজিও সহ সকল সংগঠন নিরব। অথচ এরা এগিয়ে এলে সরকার সহজেই করোনা প্রতিরোধ সম্ভব হতো।
© মানুষকে শাসিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ধান্দায় সব অস্থির, কারও জীবনের মূল্য নেই। এক্ষেত্রে অসাধু ব্যবসায়ী, অতি মুনাফালোভী মহাজন ও সুদখোরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
© শিল্পপতি, রক্তচোষা এনজিও, বিভিন্ন সামাজিক সংস্থা, সমিতি এগুলো কি শুধু নেওয়ার জন্য, দেওয়ার জন্য নয়? এদের তালিকা তৈরি করে ভবিষ্যতে এদেরকে সুযোগ সুবিধা থেকে বাতিল করতে হবে।
© মানুষের জন্য মানুষ এই মহান গুণটি আর মানুষের মাঝে নেই, চেহারায় মানুষ হলেও পশুতে পরিণত হচ্ছে অনেকে। এরাও এক প্রকার ক্রিমিনাল। এদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত স্থাপন করে বিচারের ব্যবস্থা করার জোড় দাবি জানাচ্ছি।
© প্রতিদিন চোখের সামনে অসহায় মানুষদের কান্নার মাঝেও দস্যুর মতো কিস্তি আদায়ে ব্যস্ত এনজিওগুলোর কি এখনও হুঁশ আসেনি। এখন এ অমানবিকতারও একটা বিহীত হওয়া দরকার।
তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দয়া করে এদের থামান। এরা আরও বেশি মহামারী ডেকে আনছে। বাধ্য করছে মানুষকে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতে। আগামী ১/২ মাস কিস্তি না নিলে এদের তেমন ক্ষতি হবেনা, তবে বাঁচবে আপনার জনগণ। আপনি আমাদের আদর্শ। এ ব্যাপারে জরুরি ব্যবস্থা নিবেন বলে আশা করি।
তাছাড়া এখনও বিপনি বিতান, সামাজিক অনুষ্ঠান ( বিয়ে, সুন্নতে খাৎনা, মেহমানি, শ্রাদ্ধ, পূজা – কীর্তন, মহোৎসব ইত্যাদি) সাময়িক বন্ধের সুনির্দিষ্ট আইন ও শাস্তির বিধান করে দেওয়ার বিনীত আবেদন রইল।
You must be logged in to post a comment.