ব্রেকিং নিউজ
সংবাদকর্মী আবশ্যক। আগ্রহীগণ সিভি, ছবি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিসহ আবেদন করুন - onnodristynews@gmail.com/ news@onnodristy.com. মুঠোফোন : ০১৯১১২২০৪৪০/ ০১৭১০২২০৪৪০।

বিশ্ব শিক্ষক দিবসঃ বেসরকারি শিক্ষকদের আবেগ,ক্ষোভ ও প্রত‍্যাশা

মোঃ সাইদুল হাসান সেলিম।।

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সকল স্তরের শ্রদ্বেয় শিক্ষকগণ কে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রতিবছরই পালন করা হয় বিশ্ব শিক্ষক দিবস। পৃথিবীর সব দেশের শিক্ষকদের কাছে এ দিনটি অত্যন্ত অহংকার, গৌরব ও মর্যাদার। বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালনের ইতিহাস খুব বেশি দিন আগের নয়। ১৯৯৩ সালে বিশ্বের ২১০টি শিক্ষক সংগঠনের তৈরি “এডুকেশন ইন্টারন্যাশনাল। এই সংগঠনের ক্রমাগত অনুরোধ ও আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৪ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম অধিবেশনে দীর্ঘ আলোচনা পর্যালোচনার পর, সর্ব সম্মতিক্রমে যুগান্তকারী ৫ই অক্টোবরকে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।  বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অনেক দেশেই শিক্ষকদের অধিকার, মর্যাদা এবং সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৯৫ সালের ৫ অক্টোবর থেকে বিশ্বে এ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করে থাকে।

এ দিবস উপলক্ষে (ই, আই) প্রতিবছর একটি প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করে, যা শিক্ষকতা পেশার সম্মান মর্যাদা ও অবদানকে স্মরণ করিয়ে দেয়। শিক্ষা যদি জাতির মেরুদণ্ড হয়, তাহলে শিক্ষকরা সে মেরুদণ্ডের স্রষ্টা। গোটা মনুষ্য সমাজের মধ্যে মানবিকতা, নৈতিকতা এবং মানদণ্ডের বিচারে শিক্ষকদের চেয়ে সম্মানের এবং মর্যাদাপূর্ণ পেশা আর নেই।বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার ৯৭% গুরুদায়িত্ব পালনকারী বেসরকারি শিক্ষকগণ। দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় সরকারি বেসরকারি একই পাঠ‍্যক্রম, পাঠ‍্যসূচী, কর্মঘন্টা, পরিক্ষা পদ্ধতি, সনদের মান বিধিবিধান একই। তথাপি সরকারি বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন ভাতা এবং সুযোগ সুবিধার বিশাল বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে। বিগত একযুগ ধরে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তহীনতা এবং আমলাদের বিদ্বেষী রোষানলে নতুন নতুন বৈষম্য সৃষ্টিতে বিস্মিত নির্বাক দেশের বেসরকারি শিক্ষকগণ। এ বৈষম্যের প্রতিবাদে বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি ফোরাম সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের প্রাণান্তকর চেষ্টা সত্ত্বেও, শিক্ষকদের বঞ্চনা বৈষম্য দূরীকরণে কোন উদ্যোগই নেয়নি সরকার।

ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যে অবারিত শান্তি  সুরক্ষিত করতে সরকারের শিক্ষার বিনিয়োগে সদিচ্ছার খুবই প্রয়োজন ছিল। দেশের শিক্ষাখাতের উন্নয়নে সরকারের মুনাফার মানসিকতা বর্জন করে অধিকারের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে আসা উচিত ছিল। শিক্ষাব্যবস্থার বেসরকারিকরণ নীতি পরিহার করে সকলের জন্য শিক্ষার অবাধ সুষ্ঠু ক্ষেত্র সৃষ্টি করতে হতো রাষ্ট্রকেই। নীতিনৈতিকতা বিবর্জিত অসুস্থ ধারার সমাজে স্থায়ী শান্তি নিশ্চিতে সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হলো শিক্ষা। শিক্ষায়বিনিয়োগের মাধ্যমে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য শান্তি সুরক্ষিত করা খুবই জরুরি। একমাত্র শিক্ষাই একটি সমাজকে সকল ব্যাধিমুক্ত করতে সক্ষম। মানসম্মত শিক্ষা মানুষকে কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করে দেয় এবং দারিদ্রতা নিরসন করে। শিক্ষা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আনে, নতুন নতুন উদ্ভাবনী ক্ষমতা সৃষ্টি করে, সমাজ উন্নয়ন ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্রকে সমৃদ্ধশালী করে তোলে।

আমাদের দেশের গতানুগতিক বাজেট শিক্ষাব্যবস্থার চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয়।

সরকারের দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে, শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নে বাজেটে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করা উচিত। শিক্ষায় বিনিয়োগ অধিক লাভজনক। বিশ্বমানের গুণগত শিক্ষা সম্প্রসারণে এগিয়ে আসতে হবে সরকার সহ সকলকেই। আধুনিক বিশ্বে এটা স্পষ্ট যে, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষাখাতে প্রচুর বিনিয়োগ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এসডিজিতে সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ছিল। দুঃখজনক হলেও সত্যি, সরকারের অংগীকার বাস্তবায়নে আন্তরিকতার প্রচুর সংকট ছিলো।একটি সরকারের দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার পরও জাতির আশাআকাঙ্ক্ষা পূরন করতে পারেনি। যাদের দিয়ে মানসম্মত শিক্ষায় দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা হবে, সেই শিক্ষকদের সম্মানজনক বেতন-ভাতা সুযোগ সুবিধা প্রদানের বিষয়ে সরকার বরাবরই উদাসীনতা দেখিয়েছে। আমলাতন্ত্রের দাম্ভিকতা ও রোষানলে বিগত ১০ বছরের বেসরকারি শিক্ষায় বৈষম্য আরো প্রকট আকার ধারণ করেছে। কোন কোন ক্ষেত্রে শিক্ষক কর্মচারিদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ সুবিধার বৈষম্য সৃষ্টির পিছনে শিক্ষক সমিতির  অবসরপ্রাপ্ত নেতাদের দলীয় লেজুড়বৃত্তি অনেকাংশেই দায়ী। দীর্ঘদিন ধরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন সময়ে সরকারি-দলের লেজুড়বৃত্তি করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে শিক্ষকদের ব্যবহার করে আসছে। এই অশিক্ষক নেতারা সরকারদলীয় পরিচয়ে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রেষনে সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে থাকে। সরকারের দেয়া সুযোগ সুবিধার গ্রহণ করে, শিক্ষকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যৌক্তিক দাবি উত্থাপনে অনিহা দেখায়। এতে সরকারের বিরাগভাজন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বিধায় শুধুমাত্র শিক্ষক কর্মচারিদের আইওয়াশের উদ্দেশ্যে কিছু কর্মসূচি ঘোষণা হয় মাত্র। অপরদিকে শিক্ষকগণ নিজেদের অধিকার সুযোগ-সুবিধা বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের উপর নির্ভরশীল থাকে। এতে যুগ যুগ ধরে বেসরকারি শিক্ষকরা বিভিন্নভাবে বঞ্চনা বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে।

“যে সকল সৎ ব‍্যক্তি, অসৎ ব‍্যক্তিদের পিছনে ঘুরে, তাঁরা অবশ্যই করুণার পাত্র (সক্রেটিস)

সময়ের প্রয়োজনেই দেশের বিশাল অঙ্কের নবীন প্রবীণ মেধাবী বেসরকারি শিক্ষকদের দাবির প্রেক্ষিতে তাদের বঞ্চনা বৈষম্য দূরীকরণে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে, “বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি ফোরাম” গঠিত হয়। এই সংগঠনটি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী একটি অরাজনৈতিক পেশাজীবী সংগঠন হিসেবে শিক্ষক সমাজে ইতিমধ্যেই সুনাম সুখ‍্যাতি অর্জনে সক্ষম হয়েছে।বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি ফোরাম দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকদের বঞ্চনা বৈষম্য দূরীকরণে এবং সতন্ত্র বেতন স্কেলসহ এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে নিয়মতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেছে। শিক্ষকরা শ্রেণীকক্ষের বাহিরে নিজেদের বঞ্চনা বৈষম্য ও সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় রাজপথে রাত্রি যাপন সহ আন্দোলন সংগ্রাম করছেন, এটি জাতির জন্য খুবই লজ্জাজনক। যে কোন জাতির শিক্ষকগন সবার শ্রদ্ধা এবং সম্মানের। অতীব দুঃখের বিষয় রাজনৈতিক উদাসীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় শিক্ষকদের বৈষম্যদূরীকরণে সরকারের সদিচ্ছার প্রতিফলন ঘটেনি। সরকারকে ভুল তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাঁধাগ্রস্থ করেছেন আমলারা। অথচ জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে এবং একটি শিক্ষা আইন প্রণয়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের আয় রাস্ট্রীয় কোষাগারে জমা নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ সহজেই করা যেত। কার্যত শিক্ষাব্যবস্থাকে রাজনীতিমুক্ত করা না গেলেও, আমাদের রাজনীতি যে শিক্ষা মুক্ত হয়েছে এটা আংশিক সত‍্য।

বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। আমাদের বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার পাসের হার বাড়লেও গুণগত মান নিয়ে ব‍্যপক সংশয় রয়েছে। তাই মানসম্মত শিক্ষার জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও দক্ষতা সম্পন্ন মেধাবী শিক্ষক দ্বারা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিভিন্ন সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কথা। প্রকৃতপক্ষে দেশের অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা নেই বরং সুষ্ঠব‍্যবস্থাপনা, আন্তরিকতা এবং সদিচ্ছার প্রচুর অভাব রয়েছে। এটা নিশ্চিত যে, নানাবিধ অনিয়ম, দুর্নীতি, অব‍্যবস্থাপনা ও প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে। উত্তরণের একমাত্র উপায়” এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ।

মানসম্মত শিক্ষা সবার মৌলিক ও মানবিক অধিকার। তাই মানসম্মত শিক্ষার জন্যে শিক্ষক, ছাত্র-অভিভাবক, বিভিন্ন পেশার মানুষ ও সরকারের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে ঐক‍্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। শিক্ষকরা সমাজ, রাষ্ট্রের আলোক বর্তিকার স্বরুপ। আধুনিক প্রযুক্তির বিশ্বের সাথে পাল্লা দিতে হলে, আমাদের আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষাক্রম, মেধাবী যোগ্য শিক্ষক, মানসম্মত উপকরণ সামগ্রী, ভৌত অবকাঠামো, যথার্থ শিক্ষণ পদ্ধতি, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, নিয়ন্ত্রণ তত্ত্বাবধানে সরকারকেই গুরুদায়িত্ব পালন করতে হবে। শিক্ষা বিষয়ক গবেষণা ও উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শিক্ষকদের সম্মানজনক বেতন-ভাতা, পেনশন, সামাজিক সম্মান মর্যাদা রক্ষা ও যুগোপযোগী কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।দেশের শিক্ষাব্যবস্থার বিদ‍্যমান বিশাল বৈষম্য সত্ত্বেও দেশের বেসরকারি শিক্ষক সমাজ প্রকৃত সেবার মনোভাব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। আমাদের আশার সঞ্চার করে, দেশের প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাবিদ, শিক্ষানুরাগী, অভিভাবক এবং রাজনৈতিক ব‍্যক্তিত্ব, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের সম্মানজনক জীবনমানের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া কর্মীরা দেশের শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছেন।
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, শিক্ষকদের জীবন মানের উন্নয়নের লক্ষ্যে অচিরেই সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের ঐতিহাসিক ঘোষণা দিবেন।

” চিত্ত যেথা ভয় শূণ্য, উচ্চ সেথা শির”। জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর। (কবিগুরু) শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকরাও শপথ নিবেন, রাষ্ট্রের উন্নয়নে যোগ্য মানবসম্পদ গড়ে তোলার ব্রতে। একটি মানসম্মত বই, একটি কলম, একজন শিক্ষার্থী এবংএকজন মেধাবী শিক্ষক একটি জাতির উন্নতিতে অভাবনীয় পরিবর্তন এনে দিতে পারে। সেই বোধের এবং শুভদিনের প্রত‍্যাশায়।

 

লেখক

সভাপতি
বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারি ফোরাম, ঢাকা, বাংলাদেশ।

Facebook Comments


শিরোনাম
পটুয়াখালী-৩, আ’লীগের মনোনয়ন চাইলেন সিইসির ভাগ্নে ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে নির্বাচনে চান ড. কামাল মুক্তা মাহমুদা’র কবিতা এমপিওভূক্ত শিক্ষকদের ৫% প্রবৃদ্ধি ও বেশাখী ভাতা প্রদাণে অনুমতি চেয়ে অর্থমন্ত্রণালয়কে চিঠি নওগাঁয় পিক-আপের নীচে চাপা পড়ে ব্যবসায়ী নিহত নওগাঁয় অসাধু সুদখোরদের চাপে ৪ জনের আত্নহত্যা-এলাকাছাড়া অনেকে, ভারতে গেছে ২ জন নওগাঁ জেলা পুলিশের “মাসিক কল্যাণ সভা” অনুষ্ঠিত মাগুরায় ৫৫০ পিচ ইয়াবা সহ ২ জন আটক মাগুরায় গাঁজা সহ ১ নারী আটক সরকারি অনুদান বয়স্ক ভাতা তুমি কার? বেনাপোল স্থলবন্দরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কুষ্টিয়ার পাটিকাবাড়ীতে নৌকার পক্ষে নির্বাচনী উঠান বৈঠক সফল করতে প্রস্তুতি সমাবেশ দুর্নীতির অভিযোগে ইবি’র দুই কর্মকর্তা কর্মচারী বরখাস্ত রাংগুনিয়ায় ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম ও কম্পিউটার সনদ বিতরণ সংসদীয় আসন ৮১, ঝিনাইদহ-১ নৌকায় উঠতে টিকিট কাটলেন ২৬ জন ! কালীগঞ্জ উপজেলা আইনশৃংখলা কমিটির মাসিক উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত  ঝিনাইদহের উত্তম পুলিশ অফিসার হিসেবে সদর থানার মহসীন হোসেন (ওসি, অপারেশন) নির্বাচিত আমিরুজ্জামান খাঁন শিমুল’র বিএনপি’র দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ৫% ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখী ভাতার ঘোষণায় বাবেশিকফো,জকিগঞ্জ শাখার আনন্দ র‌্যালী কোটচাঁদপুর উপজেলায় একযোগে তিন অফিসে চুরি আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আইন-শৃংখলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা রাজশাহীর তানোর তালন্দ ইউপিতে যুবলীগের কর্মীসভা   প্রতিবন্ধী ও ক্যান্সার রোগীদের ভ্রমণ কর নিচ্ছে বেনাপোল বন্দর বেনাপোল সীমান্তে ২২ নারী-পুরুষসহ শিশু আটক ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার হলেন কালীগঞ্জ থানার এসআই সম্বিত রায় 
© All rights reserved © 2017 Onnodristy.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com