সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল প্রশ্নে জারি করা রুলের শুনানিতে পক্ষভুক্ত হতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আবেদন গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ মির্জা ফখরুলকে পক্ষভুক্ত করে আদেশ দেন। বুধবার এই রুলের শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।
আদালতে মির্জা ফখরুলের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল।
এর আগে গতকাল সোমবার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল প্রশ্নে জারি করা রুল শুনানিতে ইন্টারভেনর হতে আবেদন করে বিএনপি। দলটির পক্ষে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাইকোর্টে এ আবেদন করেন।
আবু সাঈদ হত্যায় জড়িত শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সাময়িক বরখাস্ত
আবেদনে বলা হয়, আওয়ামী লীগসহ তৎকালীন সব বিরোধী দলের দাবি মেনে নিয়ে ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার প্রবর্তন করে। পঞ্চম জাতীয় সংসদে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় তখন এটা সংসদে পাস করা সম্ভব হয়নি। সে জন্য ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর জনগণের দাবি মেনে নিয়ে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা চালু করে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার যে সরকারব্যবস্থা চালুর জন্য রাজপথে ছিল, তারাই ক্ষমতায় এসে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে।
তবে এই সরকারব্যবস্থা সংবিধানে ফেরাতে বিএনপি প্রায় দেড় দশক ধরে রাজপথে গণতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে এই মামলায় বিএনপি ইন্টারভেনর হয়ে আদালতে বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ চাচ্ছে।
এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, ‘পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল প্রশ্নে, রুলে পক্ষভুক্ত হলাম আমি, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।’
তিনি আর বলেন, ‘সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল প্রশ্নে জারি করা রুল শুনানিতে ইন্টারভেনর হিসেবে পক্ষভুক্ত হওয়ার জন্য আমার আবেদন হাইকোর্ট গ্রহণ করেছে।
মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ আমাকে পক্ষভুক্ত করার আদেশ দেন। আমার পক্ষে ইন্টারভেনর আবেদনটি করেন আইনজীবী ফারজানা শারমিন পুতুল।’
You must be logged in to post a comment.