নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিচ্ছে অন্যদৃষ্টি। আগ্রহীগন সিভি পাঠান- 0nnodrisrtynews@gmail.com
২৯ জুন ২০২২, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন

শরীয়তপুরে মেয়াদ উত্তীর্ণ ইনজেকন পুশ করায় রোগীর মৃত্যু, ধামাচাপার চেষ্টা

আব্দুল বারেক ভূঁইয়া
মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০২২, ৯:৫০ অপরাহ্ন

মেয়াদ উর্ত্তীণ ইনজেকশন পুশ করায় কহিনূর বেগম (৫৮) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে শরীয়তপুর সদর উপজেলা আংগারিয়া বাজারের লতিফ ফার্মেসীর মালিক পল্লী চিকিৎসক আব্দুল লতিফ এর বিরুদ্ধে।

সরোজমিন ঘুরে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০ জুন সোমবার দুপুর ১ টার দিকে আংগারিয়া বাজারের লতিফ ফার্মেসীতে চিকিৎসা নিতে আসেন আংগারিয়া ইউনিয়নের তুলাতলা বাজার সংলগ্ন চর চটাং গ্রামের মৃত নুরু মল্লিকের দ্বিতীয় স্ত্রী কহিনূর বেগম। লতিফ ফার্মেসীর মালিক পল্লী চিকিৎসক আব্দুল লতিফ মিয়া রোগীর রোগ নির্ণয় না করেই ১ মস ইনজেকশন পুশ করেন। ইনজেকশন পুশ করার কিছুক্ষণ পরই মৃত্যু হয় কহিনুর বেগমে এর। রোগীর স্বজনদের চিৎকার শুনে ভীর জমে গণমানুষের। আব্দুল লতিফের পক্ষ নিয়ে বিষয়টি ধামা চাপা দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন অসাধু একটি মহল।

শরীয়তপুর পুলিশ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মনিরুল ইসলাম মনির বলেন, লতিফ ফার্মেসীর মালিক পল্লী চিকিৎসক আব্দুল লতিফ আমাকে জানিয়েছেন আংগারিয়া ইউনিয়নের তুলাতলা বাজার সংলগ্ন চর চটাং গ্রামের মৃত নুরু মল্লিকের দ্বিতীয় স্ত্রী কহিনূর বেগম চিকিৎসা নিতে আসলে ঈবভঃরুড়হব ১ মস ইনজেকশন পুশ করার পরে তার মৃত্যু হয়েছে।

আংগারিয়া বাজারের সুনামধন্য চিকিৎসক ডাঃ জয়ন্ত কুমার নাগ (খোকন) জানান, গতকাল দুপুরে আব্দুল লতিফ আমাকে বলেন, ফার্মেসীতে একজন রোগী এসেছে রোগীর অবস্থা আশংকা জনক আপনি এসে একটু দেখে যান। আমি দেরী না করে লতিফ ফার্মেসীতে গিয়ে দেখি রোগী মারা গেছে। আমি আব্দুল লতিফের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ঈবভঃরুড়হব ১ মস ইনজেকশন পুশ করেছি।

স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায়, পল্লী চিকিৎসক আব্দুল লতিফ ইতোপূর্বে গবাদি পশুর চিকিৎসক ছিলেন। তিনি গবাদি পশুর চিকিৎসক থাকা কালে কাশীপুর গ্রামের হামেদ মিয়া নামে এক ব্যাক্তির গরুর চিকিৎসা প্রদান কালে ইনজেকশন পুশ করলে গরুটি সাথে সাথে মারা যায়। পরে তিনি গবাদি পশুর চিকিৎসক হিসেবে ব্যর্থ হয়ে মানুষের পল্লী চিকিৎসক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তার হাত থেকে রক্ষা পেলনা কহিনুর বেগম।

মেয়াদ উর্ত্তীণ ইনজেকশন পুশ করায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পল্লী চিকিৎসক আব্দুল লতিফ বিষয়টি এড়িয়ে যান।

শরীয়তপুর জেলা সিভিল সার্জন এস এম আব্দুল্লাহ আল মুরাদ এর কাছে মুঠোফোনে পল্লী চিকিৎসকদের অনিয়মের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, জনবল কম থাকায় পল্লী চিকিৎসকদের মনিটরিং করতে পারছিনা। আমার কাছে  অভিযোগ আসলে ব্যাবস্থা গ্রহণ করবো।

Facebook Comments
Print Friendly, PDF & Email
সংবাদটি শেয়ার করুন


আরো সংবাদ