শরীয়তপুর কৃষি বিভাগের উদাসিনতা-বিসিআইসি,সরকার অনুমদিত সার বিক্রেতা ডিলারদের অধিক মুনাফা ও নানা অনিয়মের কারণে সরকার নির্ধারিত দামে সারপাচ্ছেনা ধানচাষী প্রন্তিক কৃষকরা।
শরীয়তপুরের ছয়টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রান্তকি চাষিদের সাথে আলাপ কালে,ধানচাষী কৃষকরা জানান বোরো মৌসুমে ধানের চারা রোপনের পূর্বে টিএসপি, পটাশ, ডি.এপি-সহ বিভিন্ন রাসায়নিক সার ব্যাবহার করতে হয়।প্রতি কেজি রাসায়নিক সার সরকার নির্ধারিত দামের তুলনায় চাষিদের কাছ থেকে ৮থেকে ১০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে।এব্যাপারে শরীয়তপুর কৃষি বিভাগ তাদের কোনো সহযোগিতা করছে না,বলে অভিযোগ কৃষকদের।
প্রতি কেজি( টিএসপি)সার সরকার নির্ধারিত দাম ২৭টাকা,কৃষকদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে ৩৫-৩৮টাকা, প্রতি কেজি (ডিএপি)সার সরকার নির্ধারিত দাম ২১ টাকা,কৃষকদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে ৩৪-৩৬টাকা এছাড়া,প্রতি কেজি এমওপি সার সরকার নির্ধারিত দাম ২০ টাকা কিন্তু কৃষকদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে২৬-২৮ টাকা, এবছর সারের দাম বেশি হওয়ায় ব্যাপক অর্থ খরচ হচ্ছে ধানচাষী কৃষকদের।
এব্যাপারে শরীয়তপুর কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ মোস্তফা কামাল হোসেন, বলেন শরীয়তপুরে সারের কোনো সংকটনেই যদি কোনো বিসিআইসি ডিলার অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করেন তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
You must be logged in to post a comment.