ব্যাংক : স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠান

এম এ কবীর
মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০২৩, ৯:২৩ অপরাহ্ন

ব্যাংক একটি স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠান। চলে মানুষের আস্থার ওপর নির্ভর করে। কোনো কারণে যদি সাধারণ মানুষ ব্যাংকের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলে তাহলে সেই ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে। মানুষ সব কিছু ভুলে যেতে পারে। কিন্তু অর্থ হারানোর ব্যথা কখনো ভুলতে পারে না। তারা ব্যাংকের ওপর শর্তহীন বিশ্বাস রাখে বলে সেখানে তাদের সম্পদ সংরক্ষণ করে। আমানতকারীরা তার অর্থের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বিধান ও নির্দিষ্ট হারে মুনাফা পেতে ব্যাংকে অর্থ সংরক্ষণ করেন। এ দু’টির যেকোনো একটির ব্যত্যয় ঘটলে তারা ব্যাংকে অর্থ সংরক্ষণ করবেন না। বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বশেষ মুদ্রানীতিতে আমানতের ওপর প্রদেয় সুদের হার তুলে দিয়েছে। কিন্তু ব্যাংকঋণের সর্বোচ্চ সুদহার ৯ শতাংশ অপরিবর্তিত রেখেছে। এতে ব্যাংকগুলোর অসুবিধা হচ্ছে। ৬ থেকে ৭ শতাংশ বা তারও বেশি হারে সুদ দিয়ে আমানত সংগ্রহ করছে কিন্তু সেই আমানত সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে বিনিয়োগ করতে হচ্ছে। বাংলাদেশের ব্যাংকিং সিস্টেম অনেক দিন ধরে নানা ধরনের সমস্যায় জর্জরিত। সম্প্রতি কয়েকটি ব্যাংকে বড় ধরনের দুর্নীতি ও অর্থপাচারের ঘটনা ঘটার ফলে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ব্যাংক খাতের একটি বড় সমস্যা হচ্ছে অভ্যন্তরীণ জবাবদিহির অভাব। এ অবস্থা দূর করতে অগৌণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক হবে। কোনোভাবে যেন ব্যাংক খাতের অভ্যন্তরীণ সুশাসনের অভাব সৃষ্টি না হয়; তা নিশ্চিত করা দরকার। ব্যাংক পরিচালিত হয় জনগণের টাকায়। কিন্তু ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদে সাধারণ আমানতকারীদের কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নেই। আইন করে ব্যক্তি মালিকানাধীন ব্যাংকে একই পরিবার থেকে পরিচালকের সংখ্যা দুই থেকে চারজনে উন্নীত করা হয়েছে। তাদের মেয়াদকাল ছয় বছর থেকে বাড়িয়ে ৯ বছর করা হয়েছে। আর সরকারি ব্যাংকগুলোতে সরকার মনোনীত পরিচালকরা বিশেষ সুতোর টানে জবাবদিহির আওতায় ভূমিকা পালন করতে পারেন না বা করেন না। ফলে ব্যক্তি মালিকানাধীন ব্যাংক অনেকটা পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে ও সরকারি ব্যাংকগুলো কর্তার ইচ্ছায় কর্ম প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সম্প্রতি বলেছেন, ‘ব্যাংক পরিচালকদের অনেকে নিজেদের ব্যাংকের মালিক মনে করছেন। তারা সেভাবে ব্যাংকের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে চাচ্ছেন।’ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের এ সত্য পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ সবাইকে মনে রাখতে হবে, রাষ্ট্রীয় হোক আর ব্যক্তি মালিকানাধীন হোক, ব্যাংকের প্রকৃত মালিক হচ্ছেন দেশের সাধারণ আমানতকারীরা। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনায় সরকার প্রতিনিধি পাঠায়। কাজেই রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের পরিচালক কখনো ব্যাংকের মালিক নন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে তাদের আচার-আচরণ মালিকের মতো মনে হয়। তারা নানা ধরনের দুর্নীতি আর অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। এক শ্রেণীর ব্যাংক পরিচালক আছেন; যারা নানা ধরনের দুর্নীতির সাথে সরাসরি যুক্ত বলে বাজারে চাউর আছে। তারা স্বার্থসন্ধ বিভিন্ন প্রকল্পে ঋণদানে সুপারিশ করেন। ঋণ পাইয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন। বিনিময়ে ঋণ আবেদনকারীর কাছ থেকে হয়তো হাতিয়ে নেন অর্থ। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংকের মালিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও বড় অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়েছে। ব্যাংকের মালিকানা রাতের আঁধারে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদারকি যথাযথভাবে না হওয়ায় অর্থবাজারের অস্থিরতা-অসুস্থতা বৃদ্ধির লক্ষণ বৃদ্ধি করেছে। ব্যক্তি মালিকানাধীন ব্যাংকের এক  শ্রেণীর পরিচালক আছেন যারা অন্য ব্যাংক থেকে নামে-বেনামে ঋণ হাতিয়ে নিচ্ছেন। সাধারণ গ্রাহক ও আমানতকারীরা যখন এসব কাহিনী শুনেন তখন ব্যাংকব্যবস্থার ওপর তাদের আস্থা কমে যায়।

এ  প্রেক্ষাপটে আইএমএফ ব্যাংক খাতের সম্পর্কে যে শর্ত দিয়েছে তার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যাংকব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা। এক  শ্রেণীর প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী নামে-বেনামে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণের নামে নিয়ে অন্য খাতে প্রবাহিত করছেন। এমনকি সেই ঋণের অর্থ বিদেশে পাচার করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। আইএমএফ খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনার জন্য শর্ত দিয়েছে। বাংলাদেশের ব্যাংক সেক্টর বর্তমানে ভয়াবহভাবে খেলাপি ঋণভারে জর্জরিত। বাংলাদেশের ব্যাংক কৃত্রিমভাবে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব মতে, দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ এক লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু আইএমএফ বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার মতে, বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রদর্শিত পরিসংখ্যানের চেয়ে অনেক বেশি।

আইএমএফ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ অর্ধেকে নামিয়ে আনার শর্ত দিয়েছে। এ শর্ত পরিপালন করা অসম্ভব হতে পারে। দুর্নীতি দমন কমিশন বা আদালত খেলাপি ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে তেমন কোনো সাফল্য প্রদর্শন করতে পারছেন না। কেননা, ঋণখেলাপিদের আইনগত অধিকারও তাদের দেখতে হয়। এ কারণে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের চিহ্নিত করে সামাজিকভাবে বয়কট করার প্রস্তাব দিচ্ছেন অনেকে। কিন্তু এটি সম্ভব নয় এ কারণে যে, আমরা যে সমাজে বাস করি সেখানে যাদের প্রভাব বেশি তারাই জয়ী হবেন, থাকবেন, এটিই স্বাভাবিক।

সুইজারল্যান্ডের তারল্যসংকটে পড়া ব্যাংক ক্রেডিট সুসিকে ‘মাত্র’ ১০০ কোটি মার্কিন ডলারে কিনে নিতে চায় দেশটির বৃহত্তম ব্যাংক ইউবিএস। প্রতিষ্ঠানটি মনে করে, তাদের ৭৪০ কোটি সুইস ফ্রাঁ বা ৮০০ কোটি ডলারের বাজারমূল্যের তুলনায় ইউবিএস ব্যাংকের এ অফার খুবই নগণ্য। ইউবিএসের প্রস্তাবে রাজি হলে নিজেদের শেয়ারহোল্ডার ও কর্মীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেবে। গত সপ্তাহে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ব্যাংক ক্রেডিট সুসি তারল্য বাড়াতে সেই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ৫ হাজার ৪০০ কোটি ডলার ঋণ নেয়। এরপরই জানা যায়, ক্রেডিট সুসিকে ইউবিএস এজির সঙ্গে একীভূত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তারই ধারাবাহিকতায় ইউবিএস ব্যাংক ক্রেডিট সুসিকে কেনার প্রস্তাব দেয়। এতে ক্রেডিট সুসির প্রতিটি শেয়ারের দাম ধরা হয়েছে শূন্য দশমিক ২৫ সুইস ফ্রাঁ।

সুইস কর্তৃপক্ষ ক্রেডিট সুসি ও ইউবিএস ব্যাংকের মধ্যে একীভূত হওয়ার চুক্তি সম্পাদনে মধ্যস্থতা করতে চায়, যাতে ক্রেডিট সুসি সম্ভাব্য বিপর্যয় মোকাবিলা করতে পারে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বড় ব্যাংক বন্ধ হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই সুইজারল্যান্ডের ক্রেডিট সুসি ব্যাংকের তারল্যসংকটে পড়ার খবর প্রকাশ পায়। বিশেষ করে শঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধ হওয়া দুই ব্যাংক ও ক্রেডিট সুসির  শেয়ার ছেড়ে দিতে থাকেন। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদরে ব্যাপক পতন ঘটে। এ রকম পরিস্থিতিতে সুইস  কেন্দ্রীয় ব্যাংক তারল্যের জোগান দিয়ে ক্রেডিট সুসিকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করে। যুক্তরাষ্ট্রে তিন দিনের ব্যবধানে দুটি ব্যাংক বন্ধ হওয়ার পর পশ্চিমা বিশ্বের ব্যাংক খাতে অস্থিরতা বাড়ছে। তারই প্রমাণ মেলে ক্রেডিট সুসির তারল্যসংকটে পড়ার ঘটনা। আর্থিক সংকটের  প্রেক্ষাপটে পদ্ধতিগতভাবে ব্যাংক খাতের অবস্থা কী হবে, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও সুইজারল্যান্ডে আলোচনা চলছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক (এসভিবি) ও সিগনেচার ব্যাংক বন্ধ হওয়ার পর পতনের ঝুঁকিতে পড়েছে ফার্স্ট রিপাবলিক ব্যাংক। সান ফ্রান্সিসকোভিত্তিক এ ব্যাংক বেশ বড় ব্যাংক। এর পতন ঠেকাতে এগিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের বড় কয়েকটি ব্যাংক। জে পি মরগ্যান ও সিটি গ্রæপের নেতৃত্বে ১১টি ব্যাংক ফার্স্ট রিপাবলিক ব্যাংককে ৩০ বিলিয়ন ডলার আমানত দিচ্ছে। ফার্স্ট রিপাবলিককে নতুন করে আমানত দেয়ার জন্য বড় বড় ১১টি ব্যাংক যে উদ্যোগ নিয়েছে তাকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন নীতিনির্ধারকরা। অন্যদিকে, সহায়তাকরী ব্যাংকগুলো বলছে, বর্তমান  প্রেক্ষাপটে ৩০ বিলিয়ন ডলারের আমানত দেশের ব্যাংকিংব্যবস্থার ওপর আস্থা ফেরাবে।

যে কোনো দেশের অর্থনীতির চাকা সুচারুভাবে চালাতে সুস্থ ও সমৃদ্ধ ব্যাংকিং খাত আবশ্যক। গত তিন দশকে বাংলাদেশে অর্থনীতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকিং খাতেরও বিকাশ ঘটেছে। কিন্তু সেই বিকাশ যে সুস্থধারায় প্রবাহিত হয়নি, তার প্রমাণ সরকারি-বেসরকারি ১১ ব্যাংক মূলধন ঘাটতিতে আছে। এসব ব্যাংকের মূলধন ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ হাজার ৭০২ কোটি টাকা। এর মধ্যে অন্তত ছয়টি ব্যাংকের মূলধন ভিত্তির অনুপাত (সিএআর) ঋণাত্মক ধারায় নেমেছে। এ ছাড়া ঘাটতিতে থাকা বেশ কয়েকটি ব্যাংক বছরের পর বছর বড় ধরনের মূলধন ঘাটতি নিয়ে চলছে। এ ধরনের পরিস্থিতি ব্যাংকগুলোর আর্থিক পরিস্থিতির দুর্বলতা নির্দেশ করে।

খেলাপি ঋণ বেড়ে গেলে ব্যাংকের প্রভিশন বা নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে হয় বেশি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, নিয়মিত বা ভালো ঋণের বিপরীতে ব্যাংকের প্রভিশন রাখতে হয় এক বা দুই শতাংশ। কিন্তু খেলাপি ঋণের বিপরীতে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত প্রভিশন জমা রাখতে হয়। ব্যাংকের স্বাস্থ্য রক্ষা ও আমানতকারীদের স্বার্থ অক্ষুণœ রাখার জন্যই প্রভিশন রাখার এই ব্যবস্থা। খেলাপি হওয়া ঋণ উদ্ধার করার সম্ভাবনা কমে যায়। ফলে এর বিপরীতে নগদ টাকা প্রভিশন রাখার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু অতিরিক্ত এই প্রভিশন রাখতে গিয়ে অনেক ব্যাংক প্রয়োজনীয় মূলধন রাখতে শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। কেননা দিনশেষে মূলধন থেকে তহবিল সরিয়ে তা প্রভিশন হিসেবে সংরক্ষণ করতে হয় ব্যাংকগুলোকে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, রাষ্ট্রায়ত্ত বা অন্য দুর্বল বেসরকারি ব্যাংকগুলো কেন ধারাবাহিকভাবে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। এর অন্যতম বড় কারণ হচ্ছে দুর্নীতি। অনিয়মের মাধ্যমে এসব ব্যাংক থেকে ঋণের নামে বের করে ফেলা হয়েছে বড় অঙ্কের টাকা। কোনো দেশের ব্যাংক খাতে মূলধন পর্যাপ্ততার অনুপাত কম থাকলে তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বেশ নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কোনো দেশে বিনিয়োগ বা ব্যবসা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে ব্যাংক খাতের শক্তিমত্তা নিরূপণের জন্য এই আর্থিক সূচকটি বেশ গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য একাধিক আইন থাকলেও তার যথাযথ প্রয়োগ নেই। এ কারণেই একের পর এক কেলেঙ্কারি ঘটেছে, খেলাপি ঋণের পরিমাণ সীমা ছাড়িয়েছে, কোনো কোনো ব্যাংক গ্রাহকদের আস্থা হারিয়েছে। এ অবস্থায় সরকারের উচিত ব্যাংকিং খাতের সংকট উত্তরণে কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ নেয়া।

বড় বড় আশাবাদ ও স্মার্ট হওয়ার স্বপ্ন দেখায় বিভোর বাংলাদেশের ব্যাংক খাত এখনো হয়তো এতটা খারাপ হয়নি এ আশায় বুক বেঁধে আছেন বাংলাদেশের তাবৎ আমানতকারী। নিয়ন্ত্রক সংস্থাও জানিয়ে দিয়েছে, দেশের কোনো ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার পর্যায়ে নেই, অতীতেও হয়নি। কিন্তু তবুও এটি কোনোভাবেই অস্বীকার করা যাবে না যে, ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর সাধারণ আমানতকারীদের আস্থায় চিড় ধরেছে।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট ও সভাপতি, ঝিনাইদহ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ঝিনাইদহ

Facebook Comments
Print Friendly, PDF & Email
সংবাদটি শেয়ার করুন


আরো সংবাদ
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com