নোটিশ :
সংবাদকর্মী নিচ্ছে অন্যদৃষ্টি। আগ্রহীগন সিভি পাঠান- 0nnodrisrtynews@gmail.com
০৩ অগাস্ট ২০২১, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন

লকডাউনে ইবি শিক্ষার্থীদের নিজস্ব পরিবহনে বাড়ি পৌঁছানোর দাবি

ইবি প্রতিনিধি
বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১, ১০:১০ অপরাহ্ন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহনে বাড়ি পৌঁছে দিতে প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে শাখা ছাত্র মৈত্রী।

বুধবার (০৭ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আব্দুস সালাম বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে তারা।

স্বারকলিপি সূত্রে, প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের প্রকোপ থেকে রক্ষার জন্য আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত দেশব্যাপী লকডাউন বৃদ্ধি করেছে সরকার। লকডাউন পবিত্র ঈদুল আযহা পর্যন্ত থাকার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। একই সাথে কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলায় করোনা সংক্রমণ হার মারাত্নকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী এবং কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ শহরের মেস ও বাসাবাড়িতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি ও আতঙ্কের মধ্যে পড়েছে।

এদিকে গত ১৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় হল বন্ধ রেখে পরীক্ষা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে কর্তৃপক্ষ। এ সিন্ধান্ত জানার পর শিক্ষার্থীরা মেসে সিট না পাবার আশঙ্কায় আগেই ক্যাম্পাস পার্শবর্তী ও কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ শহরের বিভিন্ন মেস ও বাসাবাড়িতে অবস্থান শুরু করে। এসব এলাকায় শিক্ষার্থীদের তুলনায় মেসের সংখ্যা অপ্রতুল।

হটাৎ করে সারাদেশে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যায় এবং কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। চলমান লকডাউনে দূরপাল্লার সব গণপরিবহন বন্ধ হয়ে যায়। এতে বিভিন্ন মেসে আটকা পড়ে শিক্ষার্থীরা। কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ জেলায় করোনা সংক্রমণের হার উর্দ্ধগতি হওয়ায় মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে তারা। স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে এবং পরিবারের সাথে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপনের ব্যবস্থা করতে দ্রুততম সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহনে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বিভাগীয় শহরে নিরাপদে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করার দাবি জানায় শাখা ছাত্র মৈত্রী।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি আব্দুর রউফ বলেন, ‘আমরা হোয়াটস অ্যাপ মাধ্যমে ভিসি স্যার, সরাসরি ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, অনলাইন মাধ্যমে প্রক্টর ও পরিবহন প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছি এবং মুঠোফোন মাধ্যমে ভিসি স্যারে সাথে আমার কথা হয়েছে। তিনি বিষয়টি পজেটিভভাবে নিয়েছেন এবং বলেছেন প্রক্টর স্যারের মাধ্যমে একটা লিস্ট তৈরি করে অবস্থা বুঝে ব্যাবস্থা নেওয়া যাবে। তিনি আরও বলেন, যদি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজন মনে করে তবে আমরা ছাত্র মৈত্রীর পক্ষ থেকে তাদেরকে লিস্ট তৈরির বিষয়ে সহযোগিতা করতে পারি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘ভিসি স্যার নির্দেশ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশে কতজন শিক্ষার্থী আছে এর একটা পরিসংখ্যান বের করতে। কোন কোন জেলায় কতজন শিক্ষার্থী আছে এটা বের করতে পারলে একটা সিদ্ধান্তে আসা যাবে। এছাড়াও বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের সাথে কথা বলেছি।’

Facebook Comments
Print Friendly, PDF & Email
সংবাদটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো সংবাদ