ব্রেকিং নিউজ
সংবাদকর্মী আবশ্যক। আগ্রহীগণ সিভি, ছবি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিসহ আবেদন করুন - onnodristynews@gmail.com/ news@onnodristy.com. মুঠোফোন : ০১৯১১২২০৪৪০/ ০১৭১০২২০৪৪০।

কেসি কলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট : টাইব্রেক শেষে খেলোয়াড়দের মুশি সাপুড়ের ড্যান্স

এলিস হক।।

ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজের আয়োজনে আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে স্নাতক পাস বিভাগ ভাগ্যক্রমে টাইব্রেকারে জিতে দ্বিতীয় রাউন্ডে উন্নীত হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টায় প্রতিযোগিতার চতুর্থ দিনের প্রথম খেলায়  পাস এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ নির্ধারিত সময় গোলশূন্য ড্র হলে টাইব্রেকার কিক গড়ায়। সেখানে পাস বিভাগ ৪-৩ গোলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগকে হারিয়ে এই কৃতিত্ব দেখায়।

২০১১ সালে শুরু হয় আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা। আর থামছে কই? সাতটা বছর পার করলো। তবুও সাফল্যে সাফল্যে তাদের সমীহ করতে হবে যে বড়!! বলতে গেলে এই স্থানীয় স্টেডিয়াম মাঠে দৃষ্টি কেড়েছেন উভয় দলের খেলোয়াড়দের ক্রীড়া মুন্সিয়ানার ছাপ। কিন্তু দলই গোলমুখ না খোলায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা একটু হতাশ হয়েছেন। মুষড়ে পড়েন কেউ কেউ। তারা যথেষ্ট আস্থার সাথে পরিচয় দিয়েছেন আক্রমণ রচনায়। ভালো খেলেছেনও। বেশ কয়েকটি গোল করার সুযোগ এসেছিল। সহজ সুযোগ বলতে গেলে দুই দলের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়েরা হাতছাড়া করেন।

বিশেষ করে  পাসের সেন্টার ফরোয়ার্ড ১২ নম্বর জার্সি জুয়েল, স্ট্রাইকার ১০ নম্বর জার্সি রাজন মিয়া ও ফরোয়ার্ড ৯ নম্বর বদলি খেলোয়াড় মিন্টু, রক্ষণভাগে ৩ নম্বর জার্সি জুবায়ের ও ৫ নম্বর স্টপার সানজিৎ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মাঝমাঠের দুইজন ৮ নম্বর জার্সি শাকিল, ৬ নম্বর জার্সি হৃদয় আহমেদ, রক্ষণভাগের ৫ নম্বর জার্সি আকিব ও ৩ নম্বর জার্সি গৌরাঙ্গ বিশ্বাস প্রমুখ মাঠে ক্রীড়া নৈপূণ্যতার পরিচয় দেন। শারদীয় পূজালগ্নে প্রচন্ড গরমে খেলোয়াড়েরা বেশ হাঁপিয়ে পড়েন। মাঠে রীতিমতো পানি খাওয়ার উৎসবে পরিণত হয়।
¯

কেসি কলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট : টাইব্রেক শেষেখেলোয়াড়দের মুশি সাপুড়ের ড্যান্স

ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজের আয়োজনে আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে স্নাতক পাস বিভাগ ভাগ্যক্রমে টাইব্রেকারে জিতে দ্বিতীয় রাউন্ডে উন্নীত হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টায় প্রতিযোগিতার চতুর্থ দিনের প্রথম খেলায়  পাস এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ নির্ধারিত সময় গোলশূন্য ড্র হলে টাইব্রেকার কিক গড়ায়। সেখানে পাস বিভাগ ৪-৩ গোলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগকে হারিয়ে এই কৃতিত্ব দেখায়।

২০১১ সালে শুরু হয় আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা। আর থামছে কই? সাতটা বছর পার করলো। তবুও সাফল্যে সাফল্যে তাদের সমীহ করতে হবে যে বড়!! বলতে গেলে এই স্থানীয় স্টেডিয়াম মাঠে দৃষ্টি কেড়েছেন উভয় দলের খেলোয়াড়দের ক্রীড়া মুন্সিয়ানার ছাপ। কিন্তু দলই গোলমুখ না খোলায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা একটু হতাশ হয়েছেন। মুষড়ে পড়েন কেউ কেউ। তারা যথেষ্ট আস্থার সাথে পরিচয় দিয়েছেন আক্রমণ রচনায়। ভালো খেলেছেনও। বেশ কয়েকটি গোল করার সুযোগ এসেছিল। সহজ সুযোগ বলতে গেলে দুই দলের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়েরা হাতছাড়া করেন।

বিশেষ করে  পাসের সেন্টার ফরোয়ার্ড ১২ নম্বর জার্সি জুয়েল, স্ট্রাইকার ১০ নম্বর জার্সি রাজন মিয়া ও ফরোয়ার্ড ৯ নম্বর বদলি খেলোয়াড় মিন্টু, রক্ষণভাগে ৩ নম্বর জার্সি জুবায়ের ও ৫ নম্বর স্টপার সানজিৎ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মাঝমাঠের দুইজন ৮ নম্বর জার্সি শাকিল, ৬ নম্বর জার্সি হৃদয় আহমেদ, রক্ষণভাগের ৫ নম্বর জার্সি আকিব ও ৩ নম্বর জার্সি গৌরাঙ্গ বিশ্বাস প্রমুখ মাঠে ক্রীড়া নৈপূণ্যতার পরিচয় দেন। শারদীয় পূজালগ্নে প্রচন্ড গরমে খেলোয়াড়েরা বেশ হাঁপিয়ে পড়েন। মাঠে রীতিমতো পানি খাওয়ার উৎসবে পরিণত হয়।
¯œাতক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান উভয়ই দফায় দফায় বল নিয়ে এ্যাটাকিং থার্ডে খেলতে গেছেন…যতবার গেছেন তারা…ততবার উভয়পক্ষের গোলকিপার রাজু ও গোলকিপার বিপ্লব দারুণ প্রশ্নাতীত দক্ষতার পরিচয় দেন। তারা বেশ কয়েকবার নিশ্চিত গোল খাওয়া হতে রক্ষা করেন।

টাইব্রেকার কিকে টসে জয়লাভ করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান দল। প্রথমেই পেনাল্টি কিক করতে যান ৫ নম্বর জার্সি আকিব। তিনি সবাইকে হতাশ করে বল যখন বাইরে মারেন (০-০)। এরপর আসেন ¯œাতক দলের ৩ নম্বর জার্সি জুবায়ের। সোজা নেটে প্রবেশ করিয়ে দেন গোলকিপার বিপ্লবকে পরাস্ত করেন (০-১)। দ্বিতীয় কিকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ১১ নম্বর মুকুল। বল মারেন। সাইড পোস্টে লাগে। নট গোল (০-১)। ¯œাতকের ১১ নম্বর মেহেদী বল মারের বারের উপর দিয়ে (০-১)।এই তো বুঝি হারার শংকা জাগে যেকোনো দলেরই। তৃতীয় কিকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ৮ নম্বর শাকিল শট মারেন..গোলকিপার রাজু পরাস্ত (১-১)। সমানে সমান। এবার পালা ¯œাতকের। ১২ নম্বর জুয়েল। বারের কোনায় বল আশ্রয় (২-১)। আসেন ১২ নম্বর জার্সি রিফাত। নিখুঁত শট করেন (২-২)। ফের স্কোর লেভেল।

চতুর্থ কিকে  ১০ নম্বর রাজন আসেন। বল মাঝখানে আর গোলকিপার বিপ্লব বামে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং সহজ গোল (৩-২)। এই কিকেই জয়ের পাল্লাটা নির্ধারিত হয়ে যায় পক্ষে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের চোখে অন্ধকার।
যতবার মারবে ততবার স্নাতকের পক্ষে যাবে…এই অবস্থার মধ্যে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ১৩ নম্বর হযরত কোনো চিন্তা না করে পোস্টে বল মেরেই গোলে পরিণত করান (৩-৩)। জয়ের নিক্তি কিন্তু কোর্টে। ১৪ নম্বর আশরাফুলের শেষ কিক। দুরু দুরু বক্ষমান অবস্থা। গোল দিয়েই ভোঁ দৌড়..সাথে সাথে

কেসি কলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট : টাইব্রেক শেষেখেলোয়াড়দের মুশি সাপুড়ের ড্যান্স

ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজের আয়োজনে আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে স্নাতক পাস বিভাগ ভাগ্যক্রমে টাইব্রেকারে জিতে দ্বিতীয় রাউন্ডে উন্নীত হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টায় প্রতিযোগিতার চতুর্থ দিনের প্রথম খেলায়  পাস এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ নির্ধারিত সময় গোলশূন্য ড্র হলে টাইব্রেকার কিক গড়ায়। সেখানে পাস বিভাগ ৪-৩ গোলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগকে হারিয়ে এই কৃতিত্ব দেখায়।

২০১১ সালে শুরু হয় আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা। আর থামছে কই? সাতটা বছর পার করলো। তবুও সাফল্যে সাফল্যে তাদের সমীহ করতে হবে যে বড়!! বলতে গেলে এই স্থানীয় স্টেডিয়াম মাঠে দৃষ্টি কেড়েছেন উভয় দলের খেলোয়াড়দের ক্রীড়া মুন্সিয়ানার ছাপ। কিন্তু দলই গোলমুখ না খোলায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা একটু হতাশ হয়েছেন। মুষড়ে পড়েন কেউ কেউ। তারা যথেষ্ট আস্থার সাথে পরিচয় দিয়েছেন আক্রমণ রচনায়। ভালো খেলেছেনও। বেশ কয়েকটি গোল করার সুযোগ এসেছিল। সহজ সুযোগ বলতে গেলে দুই দলের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়েরা হাতছাড়া করেন।

বিশেষ করে  পাসের সেন্টার ফরোয়ার্ড ১২ নম্বর জার্সি জুয়েল, স্ট্রাইকার ১০ নম্বর জার্সি রাজন মিয়া ও ফরোয়ার্ড ৯ নম্বর বদলি খেলোয়াড় মিন্টু, রক্ষণভাগে ৩ নম্বর জার্সি জুবায়ের ও ৫ নম্বর স্টপার সানজিৎ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মাঝমাঠের দুইজন ৮ নম্বর জার্সি শাকিল, ৬ নম্বর জার্সি হৃদয় আহমেদ, রক্ষণভাগের ৫ নম্বর জার্সি আকিব ও ৩ নম্বর জার্সি গৌরাঙ্গ বিশ্বাস প্রমুখ মাঠে ক্রীড়া নৈপূণ্যতার পরিচয় দেন। শারদীয় পূজালগ্নে প্রচন্ড গরমে খেলোয়াড়েরা বেশ হাঁপিয়ে পড়েন। মাঠে রীতিমতো পানি খাওয়ার উৎসবে পরিণত হয়।
¯œাতক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান উভয়ই দফায় দফায় বল নিয়ে এ্যাটাকিং থার্ডে খেলতে গেছেন…যতবার গেছেন তারা…ততবার উভয়পক্ষের গোলকিপার রাজু ও গোলকিপার বিপ্লব দারুণ প্রশ্নাতীত দক্ষতার পরিচয় দেন। তারা বেশ কয়েকবার নিশ্চিত গোল খাওয়া হতে রক্ষা করেন।

টাইব্রেকার কিকে টসে জয়লাভ করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান দল। প্রথমেই পেনাল্টি কিক করতে যান ৫ নম্বর জার্সি আকিব। তিনি সবাইকে হতাশ করে বল যখন বাইরে মারেন (০-০)। এরপর আসেন ¯œাতক দলের ৩ নম্বর জার্সি জুবায়ের। সোজা নেটে প্রবেশ করিয়ে দেন গোলকিপার বিপ্লবকে পরাস্ত করেন (০-১)। দ্বিতীয় কিকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ১১ নম্বর মুকুল। বল মারেন। সাইড পোস্টে লাগে। নট গোল (০-১)। ¯œাতকের ১১ নম্বর মেহেদী বল মারের বারের উপর দিয়ে (০-১)।এই তো বুঝি হারার শংকা জাগে যেকোনো দলেরই। তৃতীয় কিকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ৮ নম্বর শাকিল শট মারেন..গোলকিপার রাজু পরাস্ত (১-১)। সমানে সমান। এবার পালা ¯œাতকের। ১২ নম্বর জুয়েল। বারের কোনায় বল আশ্রয় (২-১)। আসেন ১২ নম্বর জার্সি রিফাত। নিখুঁত শট করেন (২-২)। ফের স্কোর লেভেল।

চতুর্থ কিকে  ১০ নম্বর রাজন আসেন। বল মাঝখানে আর গোলকিপার বিপ্লব বামে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং সহজ গোল (৩-২)। এই কিকেই জয়ের পাল্লাটা নির্ধারিত হয়ে যায় পক্ষে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের চোখে অন্ধকার।
যতবার মারবে ততবার স্নাতকের পক্ষে যাবে…এই অবস্থার মধ্যে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ১৩ নম্বর হযরত কোনো চিন্তা না করে পোস্টে বল মেরেই গোলে পরিণত করান (৩-৩)। জয়ের নিক্তি কিন্তু কোর্টে। ১৪ নম্বর আশরাফুলের শেষ কিক। দুরু দুরু বক্ষমান অবস্থা। গোল দিয়েই ভোঁ দৌড়..সাথে সাথে ¯œাতক পাস বিভাগের খেলোয়াড়েরা মুশি সাপুড়ের ব্রেক ড্যান্স ধরিয়ে দেন এবং একে অন্যের সাথে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেন।
স্নাতক (পাশ) বিভাগ : গোলকিপার রাজু ০০, অভিজিৎ ৪ (জুবায়ের ৩), সানজিৎ ৫, রাসেল ৭, রাজন মিয়া ১০, মেহেদী হাসান ১১ (অধিনায়ক), জুয়েল ১২, হারুন ১৩, আশরাফুল ১৪, আশরাফ ১৫ ও রসুল ১৬।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ : গোলকিপার বিপ্লব ১, আশিক শেখ ২, গৌরাঙ্গ বিশ্বাস ৩, আবদুল্লাহ মারুফ ৪, আকিব ৫, হৃদয় আহমেদ ৬, শাকিল ৮, আরিফুজ্জামান ৯ (অধিনায়ক) (আলামিন ৮), মিনারুল ১০, মুকুল ১১ ও হযরত ১৩।
রেফারি : শাহ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। সহকারি রেফারি : রবিউল ইসলাম ও জামাল হোসেন। ৪র্থ সহকারি রেফারি : শাহানুর ইসলাম সাগর।

পাস বিভাগের খেলোয়াড়েরা মুশি সাপুড়ের ব্রেক ড্যান্স ধরিয়ে দেন এবং একে অন্যের সাথে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেন।
স্নাতক (পাশ) বিভাগ : গোলকিপার রাজু ০০, অভিজিৎ ৪ (জুবায়ের ৩), সানজিৎ ৫, রাসেল ৭, রাজন মিয়া ১০, মেহেদী হাসান ১১ (অধিনায়ক), জুয়েল ১২, হারুন ১৩, আশরাফুল ১৪, আশরাফ ১৫ ও রসুল ১৬।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ : গোলকিপার বিপ্লব ১, আশিক শেখ ২, গৌরাঙ্গ বিশ্বাস ৩, আবদুল্লাহ মারুফ ৪, আকিব ৫, হৃদয় আহমেদ ৬, শাকিল ৮, আরিফুজ্জামান ৯ (অধিনায়ক) (আলামিন ৮), মিনারুল ১০, মুকুল ১১ ও হযরত ১৩।
রেফারি : শাহ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। সহকারি রেফারি : রবিউল ইসলাম ও জামাল হোসেন। ৪র্থ সহকারি রেফারি : শাহানুর ইসলাম সাগর।

ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান উভয়ই দফায় দফায় বল নিয়ে এ্যাটাকিং থার্ডে খেলতে গেছেন…যতবার গেছেন তারা…ততবার উভয়পক্ষের গোলকিপার রাজু ও গোলকিপার বিপ্লব দারুণ প্রশ্নাতীত দক্ষতার পরিচয় দেন। তারা বেশ কয়েকবার নিশ্চিত গোল খাওয়া হতে রক্ষা করেন।

টাইব্রেকার কিকে টসে জয়লাভ করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান দল। প্রথমেই পেনাল্টি কিক করতে যান ৫ নম্বর জার্সি আকিব। তিনি সবাইকে হতাশ করে বল যখন বাইরে মারেন (০-০)। এরপর আসেন ¯œাতক দলের ৩ নম্বর জার্সি জুবায়ের। সোজা নেটে প্রবেশ করিয়ে দেন গোলকিপার বিপ্লবকে পরাস্ত করেন (০-১)। দ্বিতীয় কিকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ১১ নম্বর মুকুল। বল মারেন। সাইড পোস্টে লাগে। নট গোল (০-১)। ¯œাতকের ১১ নম্বর মেহেদী বল মারের বারের উপর দিয়ে (০-১)।এই তো বুঝি হারার শংকা জাগে যেকোনো দলেরই। তৃতীয় কিকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ৮ নম্বর শাকিল শট মারেন..গোলকিপার রাজু পরাস্ত (১-১)। সমানে সমান। এবার পালা ¯œাতকের। ১২ নম্বর জুয়েল। বারের কোনায় বল আশ্রয় (২-১)। আসেন ১২ নম্বর জার্সি রিফাত। নিখুঁত শট করেন (২-২)। ফের স্কোর লেভেল।

চতুর্থ কিকে  ১০ নম্বর রাজন আসেন। বল মাঝখানে আর গোলকিপার বিপ্লব বামে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং সহজ গোল (৩-২)। এই কিকেই জয়ের পাল্লাটা নির্ধারিত হয়ে যায় পক্ষে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের চোখে অন্ধকার।
যতবার মারবে ততবার স্নাতকের পক্ষে যাবে…এই অবস্থার মধ্যে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ১৩ নম্বর হযরত কোনো চিন্তা না করে পোস্টে বল মেরেই গোলে পরিণত করান (৩-৩)। জয়ের নিক্তি কিন্তু কোর্টে। ১৪ নম্বর আশরাফুলের শেষ কিক। দুরু দুরু বক্ষমান অবস্থা। গোল দিয়েই ভোঁ দৌড়..সাথে সাথে ¯œাতক পাস বিভাগের খেলোয়াড়েরা মুশি সাপুড়ের ব্রেক ড্যান্স ধরিয়ে দেন এবং একে অন্যের সাথে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেন।
স্নাতক (পাশ) বিভাগ : গোলকিপার রাজু ০০, অভিজিৎ ৪ (জুবায়ের ৩), সানজিৎ ৫, রাসেল ৭, রাজন মিয়া ১০, মেহেদী হাসান ১১ (অধিনায়ক), জুয়েল ১২, হারুন ১৩, আশরাফুল ১৪, আশরাফ ১৫ ও রসুল ১৬।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ : গোলকিপার বিপ্লব ১, আশিক শেখ ২, গৌরাঙ্গ বিশ্বাস ৩, আবদুল্লাহ মারুফ ৪, আকিব ৫, হৃদয় আহমেদ ৬, শাকিল ৮, আরিফুজ্জামান ৯ (অধিনায়ক) (আলামিন ৮), মিনারুল ১০, মুকুল ১১ ও হযরত ১৩।
রেফারি : শাহ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। সহকারি রেফারি : রবিউল ইসলাম ও জামাল হোসেন। ৪র্থ সহকারি রেফারি : শাহানুর ইসলাম সাগর।

Facebook Comments


শিরোনাম
আদালতের নির্দেশে রাসায়নিক প্রয়োগ ঠেকাতে নওগাঁর আম বাগানগুলোতে পুলিশের টহল যোগ্যরাই কেবল সম্মানিত হবে: যবিপ্রবি উপাচার্য নওগাঁয় ধানের দাম বৃদ্ধি, জাতীয় মজুরি কমিশন বাস্তবায়ন, পাটকল শ্রমিকদের ৯ দফা বাস্তবায়নের দাবীতে  বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারক লিপি প্রদান লংগদুতে জেএসএস (সন্তু)’র এরিয়া চাদা কালেক্টর অস্ত্রসহ আটক শার্শার বেনাপোলে নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার নওগাঁয় ভিক্ষুক পুনর্বাসন কার্যক্রমের আওতায় দুই জন ভিক্ষুককে পুনর্বাসন বিড়ির উপর অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহারের দাবিতে শার্শা অঞ্চলে মানববন্ধন চট্টগ্রামে  বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস উদযাপন! কুষ্টিয়ায় শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে একই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১লক্ষ টাকা জরিমানা প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য, উদ্বিগ্নতা ও করণীয় ইসলাম ও মুহাম্মদ (সঃ)কে নিয়ে বিরুপ মন্তব্যকারী জয়দেব গ্রেফতার শিক্ষকেরা আজ বড় অসহায়! নামাজ পড়ার জন্য বাসা থেকে বেড়িয়ে যাওয়ার দীর্ঘ ১২ দিনেও খোঁজ মিলেনি বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নূরু গাজীর শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে অতিদরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ এর পায়তারা ইফতারকে কেন্দ্র করে মসজিদ কমিটির সম্পাদককে পেটালেন মোহাম্মদপুর উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা নিয়ামতপুরে রমজান মাসেও প্রকাশ্যে জুয়ার আসর, প্রশাসন নিরব! ঝিনাইদহ ডাকবাংলায় আবারও চুরি, সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ল চোর কোটচাঁদপুরে বোরোধান/ চালসংগ্রহ –২০১৯ শুভ উদ্বোধন দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া ঝিনাইদহের নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা শ্রীপুর সরকারি কলেজে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া নিয়োগ দেখিয়ে বিল উত্তোলনের অভিযোগ ৩৮ তম বিসিএসের ফল ইদের আগেই লঞ্চের আগাম টিকিট বিক্রি আজ থেকে মাদারীপুরে স্কুলছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি চাকুরিজীবীদের বেতন-ভাতা ২৮ মে
© All rights reserved © 2017 Onnodristy.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com