২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ || শুক্রবার || ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন

‘নতুন যুগের শুরু হবে, কাশ্মীর স্বাধীন হবে’

অন্যদৃষ্টি অনলাইন।।

পাকিস্তানের জামাত-উদ-দাওয়া নামের রাজনৈতিক দলের নেতা হাফিজ সৈয়দ কাশ্মীর প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘নতুন যুগের শুরু হবে এবং আল্লাহর ইচ্ছায় কাশ্মীর স্বাধীন হবে।’

লাহোরের গদ্দাফি স্টেডিয়ামে সম্প্রতি নির্বাচনী জনসভা করে হাফিজ সৈয়দ এ কথা বলেন। দেশটির জাতীয় নির্বাচনে সমগ্র দেশে ২৬৫ আসনে প্রার্থী দিয়েছে হাফিজ সৈয়দের দল।

তার বক্তব্যের অধিকাংশ জায়গা জুড়েই ছিল কাশ্মীর। হাফিজ সৈয়দ জানান, কাশ্মীরে অনেক রক্ত ঝড়েছে। সর্বশক্তিমান সবকিছু দেখছেন, তিনিই চূড়ান্ত রায় দেবেন। কাশ্মীর নিয়ে সিদ্ধান্ত স্থির হবে স্বর্গ থেকে, ওয়াশিংটন থেকে নয়। খুব শিগগিরই কাশ্মীর স্বাধীনতা পাবে।

হাফিজ সৈয়দ বলেন, ‘কাশ্মীরে অনেকে ভারতীয় সেনার বন্দুকের সামনে প্রাণ হারিয়েছে। গুলির বিরুদ্ধে তারা পাথর ছুঁড়েছিল। ওরা সকলেই কাশ্মীরের স্বাধীনতা এবং যুক্ত পাকিস্তানের জন্য প্রাণ দিয়েছে। আল্লাহ সবকিছু দেখছে।’

একমাস পরে ২৫ জুলাই পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। হাফিজ সৈয়দের ছেলে এবং জামাইসহ অনেক আত্মীয় ওই নির্বাচনে লড়াই করছেন।

কাশ্মীর সমস্যা মেটাতে হস্তক্ষেপ করবে জাতিসঙ্ঘ

কাশ্মীর সমস্যা মেটাতে ভারত ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জাতিসঙ্ঘপ্রধান আন্তোনিও গুতেরাস। দুই দেশের মধ্যে আলোচনার ব্যবস্থা করে দেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

কাশ্মীর সমস্যা মেটাতে কী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে, সেবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে গুতেরাস বলেন, তিনি পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে তিনবার ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দু’বার দেখা করেছেন। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলা অশান্তির বিষয়ে তিনি ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন।

জানুয়ারিতে দায়িত্ব পাওয়ার এই প্রথম সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন গুতেরাস। সেখানেই তাকে ভারত-পাক সীমান্ত সমস্যার বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। জুন মাসেই সেন্ট পিটার্সবার্গে ইন্টারন্যাশনাল ইকনমিক ফোরামে গুতেরাসের সঙ্গে দেখা হয় নরেন্দ্র মোদির। সেখানেই সন্ত্রাস ইস্যুতে জোর দেন নরেন্দ্র মোদি। ওই একই জায়গায় নওয়াজ শরিফেরও মুখোমুখি হন জাতিসঙ্ঘ প্রধান।

কাশ্মীর সমস্যায় মধ্যস্থতার প্রস্তাব তুরস্কের

কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে মধ্যস্থতায় আগ্রহ প্রকাশ করল তুরস্ক। ভারতে সফররত তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান সোমবার হায়দরাবাদ হাউসে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তিনি। তার আগে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে বহুপক্ষীয় আলোচনার প্রয়োজন। সেই আলোচনার অংশীদার হতে চায় তুরস্কও। এই আলোচনায় প্রয়োজনে মধ্যস্থতাও করতে চান বলে সোমবার জানিয়ে দিলেন তিনি।

এরদোগান আরো বলেন, তার মতে বিশ্বের শন্তি বজায় রাখার একটাই পথ আলোচনা। সেই পথেই ভারত পাকিস্তানকে এগোনো উচিত বলে জানিয়েছেন এরদোগান। ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশের সঙ্গেই অত্যন্ত সুসম্পর্ক রয়েছে তুরস্কের। সেকারণেই এই মধ্যস্থতার প্রস্তাব।

এরদোগানের এই মন্তব্যের প্রেক্ষাপটে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা রুচি ঘনশ্যাম বলেন, তুরস্কের প্রেসিডন্টের এই অনুভবের সম্মান করে ভারত। তবে কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এ নিয়ে কারো কোরো মধ্যস্থতা করার প্রশ্নই নেই।

তুরস্কের কুর্দি সমস্যার সমাধানে কী করছেন প্রশ্ন করতে এরদোগান বলেন, দুটি সম্পূর্ণ পৃথক সমস্যা। কাজেই কাশ্মীর আর কুর্দি সঙ্কট এক করে ফেলা ঠিক হবে না।

 

Facebook Comments


© All rights reserved © 2017 Onnodristy.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com