ব্রেকিং নিউজ
সংবাদকর্মী আবশ্যক। আগ্রহীগণ সিভি, ছবি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিসহ আবেদন করুন - onnodristynews@gmail.com/ news@onnodristy.com. মুঠোফোন : ০১৯১১২২০৪৪০/ ০১৭১০২২০৪৪০।

দারুচিনি দ্বীপ ভ্রমণ

জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ রচিত উপন্যাস দারুচিনি দ্বীপ অবলম্বনে নির্মিত হয় বাংলা ছায়াছবি দারুচিনি দ্বীপ। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিটি পর্যায়ক্রমে তিন বার ঈদুল ফিতরের ঈদে বিটিভিতে সম্প্রচার করা হয়ে ছিল। তখন চিন্তা করতাম বড় হলে আমিও বন্ধুদের নিয়ে দারুচিনি দ্বীপ যাবো। সেই স্বপ্ন থেকেই বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যাওয়া। ঘুরে এসে ভ্রমণ কাহিনীর আদ্যোপান্ত লিখেছেন- সাদিয়া হাসান শাওলি

আমার প্রথম সমুদ্র দেখা হয় ২০০৯ সালে বাবার সাথে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। প্রথম বার সমুদ্র দেখার অনুভূতি সবার কাছেই বিশেষ কিছু ভাল লাগার মুহূর্ত। ২০১৬ সালে পারিবারিক ভ্রমণে কক্সবাজার যাওয়া হয় সকালে হিমছড়ি আর বিকেলে সূর্যাস্ত দেখে অপেক্ষার প্রহর গুনতে থাকি আগামীকালই সেন্ট মার্টিন যাচ্ছি। খুব ভোরে বাসে করে টেকনাফ জাহাজ ঘাটে গিয়ে জাহাজে প্রচন্ড ভীর থাকায় আমরা নেমে যাই। বান্দরবান ছোট খালার বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হই। তখনই সিদ্ধান্ত নেই পরে যখন আসব তখন বন্ধু দের সাথেই আসব।

শীতের সময় প্রচন্ড ভীরের তিক্ত অভিজ্ঞতা হওয়ায় মনস্থির করি অফ সীজনে সেন্ট মার্টিন যাবো ট্রলারে করে৷ জুলাইয়ের ১ম সপ্তাহে যাওয়ার প্ল্যন করি। তারিখ ঘুরাইতে ঘুরাইতে এই বছর যাওয়ার আশাই ছেড়ে দিয়েছিলাম। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে আবির বলল টাকা পাঠাইতে টিকেট কাটবে। আগষ্টের ১ তারিখ রাত সাড়ে ১০ টার টিকেট কাটা হলো।

পহেলা আগস্ট:

সকালের ট্রেনে ঢাকার উদ্দেশ্যে রাজশাহী থেকে যাত্রা শুরু করি। ক্রসিং এর জন্য প্রায় দেড় ঘণ্টা দেরীতে ট্রেন ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছে। সেখান থেকে গুলিস্তান এসে সাইন্সল্যাব যাওয়ার জন্য বাসে উঠি। অনেকক্ষণ পরে খেয়াল করি আমি সায়েন্স ল্যাব নাহ নারায়ণগঞ্জ যাচ্ছি। বাস থেকে নেমে রাস্তা পার হয়ে সায়েন্সল্যাবের বাসে উঠি ২ ঘণ্টা সময় লাগে সায়েন্সল্যাব আসতে। টুকটাক কেনাকাটা করে ঝিগাতলা বোনের বাসায় যেতেই অনেক দেরী হয়ে গেছিল। গোসল করে রেডি হয়ে ছোট বোন এমেলি কে বললাম আমাকে একটু ভাত খাওয়ায় দে আমি ব্যাগ গুছাবো। এর মধ্য দেখি পৌনে ১০ টা বেজে গেছে আবির কল দিলো আমি বললাম আমি ঝিগাতলা এখনো। তুমি পাঠাও ঠিক করে দাও। আবির তো আমার কথা শুনে আকাশ থেকে পড়ছে। তারপরে পাঠাও নিয়ে মিরপুর ১৪ এর দিকে রওনা হলাম। আবিরের কথামতো ক্যান্টনমেন্ট দিয়ে ঢুকলাম। ড্রাইভার বললো সে ক্যান্টনমেন্টের রাস্তা ঘাট চিনে নাহ। আমি বললাম আপনি আগান। এরইমধ্যে দেখলাম আমরা সিএমএইচ হসপিটালের সামনে। ড্রাইভার কে বললাম বাইক ঘুরান আমরা ভুল রাস্তায় চলে আসছি। তারপরে কয়েকজন কে জিজ্ঞেস করে বাসস্টপে আসলাম। আমি উঠার একটু পরেই বাস ছেড়ে দিলো।

বাসে এসে দেখি আমাদের সাথে আরো দুইজন যাচ্ছে শাকিল আর ইমরান। আমরা মোট ৫ জন যাচ্ছি। বাস ঢাকা শহর ঘুরে সবেমাত্র কুমিল্লার দিকে যাচ্ছে তখনই বাস থেমে গেলো। ভেবেছিলাম জ্যামের জন্য হয়তো, পরে শুনি এক পাগল চলন্ত গাড়ির নিচে এসে পড়ছে। ১ ঘণ্টা পরে বাস চলতে শুরু করল। কুমিল্লায় বাস থামল। আমরা নেমে ফ্রেশ হয়ে হালকা নাস্তা করে নিলাম। তারপরে বাসে উঠে যে যার মত ঘুম দিলাম।

২রা আগস্ট:
সকালে উঠে যখন দেখলাম কেবল চট্টগ্রাম আসছি তখনই ভাবতে লাগলাম কখন কক্সবাজার যাবো আর কখন টেকনাফ?!!!

সকাল ১০ টার দিকে কক্সবাজার নেমে সিএনজি ঠিক করে উঠে পড়লাম মেরিন ড্রাইভ দিয়ে টেকনাফ যাওয়ার উদ্দেশ্যে। মেরিন ড্রাইভ কক্সবাজার ৮০ কিলোমিটারের দীর্ঘ একটি সড়ক, যা বঙ্গোপসাগরের পাশ দিয়ে কক্সবাজারের কলাতলী সৈকত থেকে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি বর্তমানে পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ সড়ক। মেরিন ড্রাইভ বাংলাদেশের সুন্দর সড়ক গুলোর মধ্য অন্যতম। সড়কের একপাশে নিশ্চুপ পাহাড় অন্যপাশে সমুদ্রের গর্জনে আছড়ে পড়া ঢেউ মাঝেমধ্যে ঝাউবন পড়বে। মেরিন ড্রাইভের সৌন্দর্য আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মত না। রামু ক্যান্টনমেন্ট এর গেট টা অনেক সুন্দর ছিল। আমরা সিএনজি থেকে নেমে গেট টা দেখে আবার যাত্রা শুরু করি। ছবি তোলা নিষেধ।

টেকনাফ পৌছানোর কিছুদূর আগেই আমাদের সিএনজি নষ্ট হয়, সিএনজি মামা অন্য একটা সিএনজি ঠিক করে দিলে আমরা আবার যাত্রা শুরু করি। টেকনাফের কাছাকাছি আসায় আমরা কয়েকটা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের গেট দেখতে পাই। একটা জায়গায় আমরা থামি। সেখানকার চারপাশের ভিউ টা অনেক সুন্দর ছিল। জাবির অনেক সুন্দর করে জায়গা টার সীমান্ত সংক্রান্ত ব্যাখ্যা দিচ্ছিল। সকালে তেমন কিছু না খাওয়াতে টেকনাফে নেমেই আমরা দুপুরের খাবার খেয়ে নিলাম। ট্রলার ঘাটে গিয়ে শুনি আজকে আর ট্রলার যাবে না শেষ ট্রলার ১২ টায় ছেড়ে গেছে। তারপরেই বাধল বিপত্তি। একেকজন একেক কথা বলল যেমন এখনই আবার কক্সবাজার ব্যাক আজকের রাত ওখানে থেকে পরের দিন কক্সবাজার ঘুরে রাতের বাসে ঢাকা চলে যাবে। সেকেন্ডের মধ্যে মুড অফ হয়ে গেছিলো আমার। আবির এসে বলল ওরা তো চলে যাবে বলতেছে। আমি বললাম তুমিও যাও। আমি একাই কালকে সকালের ট্রলারে সেন্ট মার্টিন যাবো। আমি একবার টেকনাফ এসে ঘুরে গেছি এইবার আমি যাবোই। তোমরা চলে গেলে আমি একাই যাবো। তারপরে ওরাও রাজী হলো টেকনাফে একদিন থেকে তারপরে সেন্ট মার্টিন যেতে।

ট্রলার ঘাটের কাছেই হোটেল নাফ এ আমরা উঠে গেলাম। ফ্রেশ হয়ে রেস্ট নিয়ে বিকেলে বের হলাম কালকের ট্রলারের খবর জানতে। ঘাট থেকে আসার সময় পলিথিন, পানি, ড্রাই কেক নিয়ে রুমে আসি। খাওয়ার পরে কার্ড খেলতে বসি সময় কাটানোর জন্য। রাতের খাবার খেয়ে এসে আবারো কার্ড খেলে ঘুমিয়ে পড়লাম।

৩রা আগস্ট:
সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা খেয়ে আসলাম। আরেক দফা কার্ড খেলে ১১ টার দিকে আমরা ট্রলার ঘাটে চলে যাই। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি পড়ছিল ব্যাগ গুলো পলিথিনে ভরে ফেলি। ট্রলার ছেড়ে দেওয়ার পরে বিজিবি পয়েন্টে এসে বিজিবি চেক করলো। সবাই জাতীয় পরিচয় পত্র/জন্মনিবন্ধন সনদ /বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড অবশ্যই সাথে রাখবেন। ট্রলার খাল ছেড়ে নাফ নদীতে এসে পড়ল। একপাশে টেকনাফ অপরপাশে মায়ানমার দেখা যাচ্ছিলো। শাহ পরীর দ্বীপের জেটিতে ট্রলার থামল। কিছুক্ষণ পরে শুনলাম ট্রলার নষ্ট হয়েছে । ১ ঘণ্টা পরে ট্রলার চলতে শুরু করল। টেকনাফ থেকে সেন্ট মার্টিন আড়াই থেকে তিন ঘণ্টার মত লাগে। আমাদের যেহেতু ট্রলার নষ্ট হয়েছিল আমাদের ৪ ঘণ্টা লেগেছিল সেন্ট মার্টিন পৌছাতে। ট্রলার যখন নাফ নদী থেকে সমুদ্রে এসে পড়লো তখনই প্রচণ্ড ঢেউয়ের তোড়ে ট্রলার একবার উপরে উঠতে লাগল একবার নিচে নামতে লাগলো। সত্যিই অনেক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা ছিল সেটা। পরে শুনলাম শাকিল নাকি অনেক ভয় পেয়েছিল। এরপর থেকে শুরু করি সবাই মিলে ওরে ক্ষ্যাপানো।

ট্রলার সেন্ট মার্টিন এর জেটিতে এসে থামল, জেটি থেকে ট্রলারে উঠানামা সত্যিই অনেক ঝুঁকিপূর্ণ এবং একই সাথে কষ্টসাধ্য ব্যাপার। জেটি থেকে নেমে আমরা বাজারের মধ্য দিয়ে হাটছিলাম এক লোক আমাদের এসে বলল তাদের হোটেল টা দেখার জন্য। পরে ওই হোটেলে যাই, সে বলল এটা তার ভাইয়ের। আমার একটা আছে বীচের সাথে। তো আমরা বীচের টা দেখতে গেলাম পছন্দ হওয়ায় ওইখানেই উঠলাম।

ব্যাগপত্র রেখে হালকা খাওয়াদাওয়া করে ঠিক করলাম সাইকেল নিয়ে ছেড়াদ্বীপ যাবো। কিন্তু জোয়ার থাকায় সম্ভব হয় নি। অতঃপর আমরা রিসোর্ট এ ফিরে আসলাম। বীচে গিয়ে দৌড়ে পানির উপরে ঝাপাঝাপি করলাম কিছুক্ষণ। তারপরে ওরা কতগুলো ছবি তুললো। তারপরে সবাই চুপ করে বসে সমুদ্র কে অনুভব করছিলাম। বীচে আমরা ছাড়া আর কেউ ছিল নাহ। অনেক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ছিল। সন্ধ্যার দিকে রুমে গিয়ে গোসল করে বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। ডাব খেয়ে ওরা হোটেলে গেলো খাবারের অর্ডার দিতে৷ তারপরে রনি(ডাবের দোকানদার মামার বিড়াল) কে নিয়ে জেটিতে গেলাম ওদের খুজতে। রনি অন্ধকারে সমুদ্রের গর্জনে ভয় পেয়ে মিয়াও মিয়াও করে চেচাইতে লাগলো। পরে ওকে মামার কাছে ফেরত দিয়ে আসলাম। আমরা জেটিতে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। সেন্ট মার্টিন এ থাকা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ এবং নৌবাহিনীর কার্যক্রম ইত্যাদি নিয়ে। ১ ঘণ্টা পরে খাবার রেডি হলো। আমরা খেতে চলে আসলাম। খাবারের মেন্যুতে ছিলো ভাত,আলু ভর্তা, ডাল, আর রুপচাঁদা মাছ। খেয়ে সবাই রিসোর্ট এ চলে আসলাম। ছাউনিতে গিয়ে দেখলাম একটা ভাইয়া গান করছেন। আমরাও যোগ দিলাম। আবির তার ইউকেলেলে নিয়ে আসলো রুম থেকে। তারপরে আমি রুমে গেলাম তারপর থেকেই ঝড় শুরু হলো। রাত ২.৩০ এর দিকে ঝড় থামলে আমি আবারও ছাউনিতে গেলাম ওদের সাথে যোগ দিতে। আমি যাওয়ার একটু পরেই ওরা গান গাওয়া বন্ধ করে দিলো। যে যার রুমে গিয়ে ঘুম দিলাম।

৪ই আগস্ট:
সকালে উঠে রেডি হয়ে দেখি কেউ নাই ওদের রুমে। পিচ্চি মেয়েটা বলল ওরা সামনেই আছে আপনি যান। বের হয়েই দেখি শাকিল আর ইমরান। জেটির দিকে এগোলাম। আবির আর জাবির ওখানে আগেই চলে আসছিল ট্রলারের টিকেট কাটতে। ট্রলারে উঠে টেকনাফের দিকে যাত্রা শুরু করলাম প্রচণ্ড রোদ আর গরমে কয়েকজন বমিও করলো। টেকনাফে এসে নাফ হোটেলে এসে ওরা সবাই গোসল করে নিলো। তারপরে আমরা কিছু শপিং করে হোটেলে খেয়ে রওনা দিলাম বাস টার্মিনালের উদ্দেশ্য। ৪ টার দিকে সন্ধ্যা ৬ টার টিকেট কাটলাম ঢাকা যাওয়ার। আবিরের কথামতো অল্প জামাকাপড় নিয়ে বিপদে পড়েছি তাই প্রতিশোধ হিসেবে ওর টিশার্ট ছিনতাই করে আমিও কাপড় চেঞ্জ করে নিলাম। তারপরে স্থানীয় একজন কে জিজ্ঞেস করলাম আশেপাশে দেখার মত কি আছে? উনি বললেন মাথিনের কূপ আছে। তারপরে বললাম ২ ঘণ্টা অযথা বসে না থেকে চলো মাথিনের কূপ দেখে আসি। কেউ যাবে না, আবির কে বললাম তুমি চলো, জাবির কে নিয়ে আসো। তারপরে মাথিনের কূপ দেখে এসে কিছুক্ষণ পরে বাসে উঠলাম। বাস ছেড়ে দিলো কক্সবাজারের কাছাকাছি এসে বাস নষ্ট হলো। তারপরে ঠিক করে আমরা সবাই সুস্থ অবস্থায়ই ৫ তারিখ সকালে ঢাকায় এসে পৌঁছে গেলাম।

কিভাবে_যাবেন_থাকা_খাওয়া:
ঢাকা থেকে টেকনাফের বাস আছে। আমরা মেরিন ড্রাইভ দেখার জন্য কক্সবাজারের টিকেট করেছিলাম। ঢাকা থেকে কক্সবাজারের বাস ভাড়া ছিল ৮০০ টাকা। কক্সবাজার থেকে টেকনাফের সিএনজি ভাড়া ছিল ১০০০ টাকা। সিএনজি নষ্ট হওয়ায় অন্য সিএনজি তে ১০০-২০০ টাকার মত দিতে হয়। গ্রুপ বড় হলে চান্দের গাড়িতেও যেতে পারেন। নাফ হোটেলের রুম প্রতি ভাড়া ছিল ৫০০ করে। টেকনাফ থেকে সেন্ট মার্টিন ট্রলার ভাড়া ২০০ আর ঘাটের ভাড়া ২০ টাকা মোট ২২০ টাকা জনপ্রতি। সেন্ট মার্টিন এ দি মারমেইড রিসোর্টে রুম ভাড়া ছিল ৭০০ করে। ১ রুমে ২ টা করে বেড ১ বেডে ২ জন করে ঘুমাতে পারবেন।
বাস টার্মিনাল থেকে মাথিনের কূপ যাওয়া আসায় ৮০-৯০ টাকার মত খরচ হয়েছে। কোন এন্ট্রি ফি নাই। টেকনাফ থেকে ঢাকার এসি বাসের টিকেট দামাদামি করে ১১০০ টাকা করে কেটেছে জনপ্রতি। এটার ক্রেডিট জাবিরের। সেন্ট মার্টিন এ খাওয়ার জন্য আগে অর্ডার দিতে হবে।

সতর্কতা:
যেখানেই যাবেন চিপস, চানাচুর, বিস্কুট, পানির বোতল, টিস্যু পেপার ইত্যাদি যেখানে সেখানে ফেলবেন না। আর সেন্ট মার্টিন এ গেলে সাবধানে থাকবেন। যতদূর আচ করতে পেরেছি বিভিন্ন ধরনের সিন্ডিকেটে স্থানীয় কিছু লোকজন জড়িত আছে। অফ সীজনে ট্যুরিস্ট পুলিশ এর তৎপরতা তেমন নেই। একজন এসে বলেছিল কোন সমস্যা হলে তাকে খবর দিতে। আর অনেক রাত অবধি বাইরে ঘুরাঘুরি না করতে।

সাদিয়া হাসান শাওলি
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। সদস্য- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় টুরিস্ট ক্লাব।   

 

অন্যদৃষ্টি/ আশিক

Facebook Comments

Please Share This Post in Your Social Media

শিরোনাম
ইবিতে পিআইবি’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু নওগাঁয় মাদকদ্রব্য উদ্ধারের জন্য আবার ও জেলার শেষ্ঠ পুরুস্কার পেলেন এস আই মিজান নওগাঁয় বিশ্ব ছাদাছড়ি নিরাপাত্তা দিবস পালিত নওগাঁয় জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন নওগাঁ সদর হাসপাল থেকে চুরি হওয়া শিশু ঠাকুরগাঁও থেকে উদ্ধার বর্ষসেরা তরুণ কবি’র অ্যাওয়ার্ড পেলেন বশেমুরবিপ্রবি’র ছাত্র ফয়সাল হাবিব সানি জবিতে “মুক্তমঞ্চ” নির্মানের প্রস্তাবনা লক্ষ্মীপুর কমলনগরে ১০ম ও ১১তম গ্রেড এর দাবীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মবিরতী পালন যশোরের শার্শায় বাকপ্রতিবন্ধিকে ধর্ষেণের অভিযোগে মামলা নাসিরনগরে খেলাফত মজলিসের ওলামা ও সূধী সমাবেশ  অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের টাকা আমার ! ঝিনাইদহে সুবিধা বঞ্চিত  মেধাবী ছাত্র- ছাত্রীদের মাঝে বৃত্তির অর্থ প্রদান সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনালে টান টান উত্তেজনা, আহত ১০, অফিস সীলগালা লক্ষ্মীপুরে ইউপি সদস্য মিরন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ইলিয়াসের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার ঝিনাইদহে কৃষকের পান গাছ উপড়ে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা আধুনিক আইয়্যামে জাহেলিয়াত! লক্ষ্মীপুরের দত্তপাড়ায় দুই সন্ত্রাসী বাহিনীর গোলাগুলিতে নিহত ১ ইবিতে মধ্যরাতে ছাত্রীদের আন্দোলন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রার উদ্দেশে প্রেসক্লাবের সামনে জমায়েত হচ্ছে শিক্ষকরা ছাত্ররাজনীতির সাতকাহন (পর্ব ৬) : যশোরে বিয়ে বাড়িতে কলোহ: অতপর বিষ পানে আত্মহত্যার চেষ্টা লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে উপ-নির্বাচনে ও লরেন্সে ইসমাইল ও কালকিনিতে রুমা বিজয়ী যশোরে ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিন্টুর ৬ মাসের বিনাশ্রাম কারাদন্ড ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসবে নির্বাচিত ৩য় লিঙ্গের পিংকি  ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে মিকি, মহেশপুরে ময়জদ্দীন উপজেলা চেয়ারম্যান
© All rights reserved © 2017 Onnodristy.Com
Theme Download From ThemesBazar.Com