২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ || শুক্রবার || ১২:৫৬ অপরাহ্ন

চা বিক্রেতা থেকে কোটিপতি “প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ”

প্রতিবাদ লীপীকার : মোঃ রফিকুল ইসলাম।

গত ০৫ জুলাই ২০১৮ খ্রিঃ তারিখে দৈনিক অন্যদৃষ্টি এবং ৯ জুলাই ২০১৮ খ্রিঃ তারিখে প্রত্যাশা প্রতিদিন পত্রিকার প্রকাশিত চা বিক্রেতা থেকে কোটিপতি  শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোছর হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক এবং মানহানিকর।

উক্ত সংবাদে উদ্দেশ্যমূলক ভাবে প্রকৃত সত্যকে আড়াল করা হয়েছে। উপ-সহকারী কর্মকর্তা আতাউর রহমানের পিতা একজন সামান্য চা বিক্রেতা ছিলেন না, বর্তমানে সাপাহারে তার বিশাল প্লাট, নামে-বেনামে জমি, লীজ নেওয়া কয়েকটি পুকুরসহ কোটিপতি হওয়া, পূর্বের কর্মস্থলের শতাধিক বিঘা সরকারী খাস জমি ব্যক্তি মালিকানায় পত্তন করে দিয়ে কোটি টাকা ইনকাম করা, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে মামলা চলমান থাকা, তার বর্তমান কর্মস্থল গাঙ্গুরিয়া-ছাওড় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ-দুর্নীতি, জনসাধারণের কাছ থেকে রাজস্ব চেক কেটে দ্বিগুন টাকা নেওয়া, ঘুষ না দেওয়ার কারণে জনসাধারণকে অফিস থেকে বের করে দেওয়া, প্রতিবাদে এলাকাবাসী অফিস ঘেরাও করার বিষয়ে প্রচারিত সংবাদগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা।

 

প্রকৃত পক্ষে আতাউরের পিতা একজন শিক্ষিত ও সমাজসেবী ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ১৯৬১ সালে সাপাহার তেঘরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিকোলেশন পাশ করেন। তিনি ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত সাপাহারের বৈকণ্ঠপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। এর পর তিনি ষ্টেশনারীর ব্যবসা করতেন। তার পরে আশড়ন্দ বাজারে হোটেল ও রেষ্টুরেণ্ট এর ব্যবসা করেন। তিনি আশড়ন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের (১৯৮৮-১৯৯০) ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন। তিনি আইহাই ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারী ছিলেন।

 

আতাউর রহমান একজন দক্ষ ও মেধাবী ভূমি কর্মকর্তা, তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র ছিলেন। জীবনে তিনি চারটি সরকারী চাকরীর অধিকারী হয়েছেন। ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে তার কর্মের সাফল্যের দরুন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। তিনি বর্তমানে ভূমি অফিসারগণের সংগঠন “বাংলাদেশ ভমি অফিসার্স কল্যান সমিতি” নওগাঁ জেলা শাখার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক।

 

প্রকৃত ঘটনা এই যে, গত ০৩/০৭/২০১৮ খ্রিঃ তারিখ বেলা ১২.০০টার সময় ভূমি কর্মকর্তা আতাউরের অফিসের অফিস সহায়ক রিয়াদুল ইসলাম মানিক ও ঝাড়–দার সাইদুরের মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে কথা কাটা-কাটি হয়। এ সময় আতাউর উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করলে ঝাড়–দার সাইদুর উল্টোদিকে ভূমি কর্মকর্তা আতাউরের সাথে দুর্ব্যাবহার করলে তিনি ঝাড় দেওয়ার পর সাইদুরকে অফিসে না থাকার নির্দেশ দেন। এরই প্রেক্ষিতে ঝাড়–দার সাইদুর ভূমি কর্মকর্তা আতাউরকে বিভিন্ন ভাষায় গালি-গালাজ করেন এবং তাকে এখানে চাকরী করতে দেবেন না বলে জানিয়ে দেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৫ জুলাই ২০১৮ খ্রিঃ তারিখ দুপুরে সাইদুরের পরিবারের লোকজন আত্মীয়-স্বজন সহ প্রায় অর্ধ শতাধিক লোকজন নিয়ে ভূমি অফিসে আসেন। তারা ভূমি কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ভাষায় গালি-গালাজ করেন এবং ঝাড়–দার সাইফুলকে অফিসে রাখার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। পোরশা উপজেলার নির্বাহী অফিসার সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। যা গত ০৬/০৭/২০১৮ খ্রিঃ তারিখে দৈনিক নয়াদিগন্ত (অনলাইন) এবং ০৯/০৭/২০১৮ খ্রিঃ তারিখের দৈনিক চাঁদনি বাজার পত্রিকার ৩য় পাতায় “নওগাঁয় ঝাড়–দারের কাছে জিম্মি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা” শিরোনামে প্রকৃত ঘটনাটি ছাপানো হয়েছে।

পরবর্তীতে সাইদুরের পক্ষে কিছু প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন প্রভাব খাটিয়ে ভূমি কর্মকর্তা আতাউরের বিরুদ্ধে আপনার পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রচারের ব্যবস্থা করেন। বিধায় অন্যদৃষ্টি পত্রিকায় ০৫/০৭/২০১৮ খ্রিঃ তারিখে এবং প্রত্যাশা প্রতিদিন পত্রিকায় প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের কারণে চরম ভাবে আতাউর ও তার পরিবারের মান সম্মানের হানি হয়েছে। আমরা ভূমি কর্মকর্তা পরিবারের পক্ষ থেকে অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত উক্ত মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি।

 

প্রতিবাদ লীপীকার : মোঃ রফিকুল ইসলাম। আতাউর রহমানের ভাই।

আতাউর রহমানের পরিবারের পক্ষে-

Facebook Comments


© All rights reserved © 2017 Onnodristy.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com